ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

ফ্রান্স-জার্মানির ওপর খেপলেন ট্রাম্প, ডিজেলের মজুত না ছাড়লে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজ দেশের জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কঠোর অবস্থানে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন নাগরিকদের স্বস্তি দিতে এবং বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়াতে তিনি ফ্রান্স ও জার্মানির ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে ওয়াশিংটন ইউরোপীয় এই শক্তিধর দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা বর্তমান সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, তেলের উচ্চমূল্য আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় মিত্রদের সহযোগিতাকে প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে, যাতে বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট দূর করা সম্ভব হয়।

তবে ফরাসি ও জার্মান সরকার মার্কিন এই চাপের মুখে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের নিজস্ব কৌশলগত জ্বালানি মজুত সুরক্ষার বিষয়টিকে দীর্ঘকাল ধরে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। ফলে ওয়াশিংটনের এই আকস্মিক ও কঠোর দাবির মুখে বার্লিন ও প্যারিস কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে এখন বিশ্ব অর্থনীতির বাজার নজর রাখছে।

পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের তরফ থেকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে যে, ইউরোপীয় দেশগুলো যদি মার্কিন চাহিদামতো ডিজেল বা জ্বালানি তেলের মজুত উন্মুক্ত করতে রাজি না হয়, তবে তাদের ওপর কঠোর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ transatlantic সম্পর্ক বা ইউরোপ ও আমেরিকার পারস্পরিক কূটনৈতিক মিত্রতায় বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে।

জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে বাসের চাপায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত

ফ্রান্স-জার্মানির ওপর খেপলেন ট্রাম্প, ডিজেলের মজুত না ছাড়লে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি

প্রকাশিত ০১:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজ দেশের জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কঠোর অবস্থানে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন নাগরিকদের স্বস্তি দিতে এবং বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়াতে তিনি ফ্রান্স ও জার্মানির ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে ওয়াশিংটন ইউরোপীয় এই শক্তিধর দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা বর্তমান সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, তেলের উচ্চমূল্য আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় মিত্রদের সহযোগিতাকে প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে, যাতে বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট দূর করা সম্ভব হয়।

তবে ফরাসি ও জার্মান সরকার মার্কিন এই চাপের মুখে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের নিজস্ব কৌশলগত জ্বালানি মজুত সুরক্ষার বিষয়টিকে দীর্ঘকাল ধরে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। ফলে ওয়াশিংটনের এই আকস্মিক ও কঠোর দাবির মুখে বার্লিন ও প্যারিস কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে এখন বিশ্ব অর্থনীতির বাজার নজর রাখছে।

পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের তরফ থেকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে যে, ইউরোপীয় দেশগুলো যদি মার্কিন চাহিদামতো ডিজেল বা জ্বালানি তেলের মজুত উন্মুক্ত করতে রাজি না হয়, তবে তাদের ওপর কঠোর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ transatlantic সম্পর্ক বা ইউরোপ ও আমেরিকার পারস্পরিক কূটনৈতিক মিত্রতায় বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে।