ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন ভিটেবাড়ি না থাকা সেই মিশন আচার্য Logo ইরানের আশপাশে ৩ রণতরি, হাজারো সেনা ও এফ-৩৫ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র Logo আন্তর্জাতিক র‍্যানসমওয়্যার চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছে ১৬ বছরের এক কিশোর—ইউরোপে অভিযান Logo লন্ডনে বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু Logo বিশ্বে মৃত্যুর প্রধান কারণ ১০টি, শীর্ষে হৃদ্‌রোগ Logo বিরল ডিমেনশিয়ায় এক পরিবারের হারিয়ে যাওয়ার করুণ কাহিনি Logo ছাগলে করলা গাছ খাওয়া নিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, আহত ৪ Logo মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা গ্রেপ্তার Logo সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন Logo বাজারে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়ছে জি-৭ দেশগুলো

ছাগলে করলা গাছ খাওয়া নিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, আহত ৪

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় একটি ছাগলে জমির করলা গাছ খাওয়া নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের ধারালো চাকুর আঘাতে আবুল কাশেম (৪২) নামের এক কৃষক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন। এই বর্বরোচিত হামলায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের আরও চার সদস্য গুরুতর জখম হয়েছেন। স্থানীয় বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবং ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে মো রনির করলা ক্ষেতে আবুল কাশেমের একটি ছাগল চলে যায় এবং গাছ খেয়ে ফেলে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরবর্তীতে কথা বলতে বলতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তা সংঘর্ষের রূপ নেয়। পূর্ব থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল, যা এই আকস্মিক সংঘর্ষকে আরও উসকে দেয়।

সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রনি তার হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমকে উপর্যুপরি আঘাত করতে শুরু করেন। চাকুর গুরুতর আঘাতের কারণে ঘটনাস্থলেই আবুল কাশেম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়। হামলায় বাধা দিতে গেলে আবুল কাশেমের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হন।

এই নৃশংস ঘটনায় নিহত আবুল কাশেমের পরিবারের চার সদস্য গুরুতর জখম হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা হলেন নিহতের বড় ভাই মুক্তার আলী, তাঁর স্ত্রী রেখা বেগম, অপর বড় ভাই বদিউল ইসলাম এবং ছোট ভাই ইমরান আলী। স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করান, যেখানে তাঁরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয়

নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন ভিটেবাড়ি না থাকা সেই মিশন আচার্য

ছাগলে করলা গাছ খাওয়া নিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, আহত ৪

প্রকাশিত ১০:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় একটি ছাগলে জমির করলা গাছ খাওয়া নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের ধারালো চাকুর আঘাতে আবুল কাশেম (৪২) নামের এক কৃষক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন। এই বর্বরোচিত হামলায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের আরও চার সদস্য গুরুতর জখম হয়েছেন। স্থানীয় বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবং ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে মো রনির করলা ক্ষেতে আবুল কাশেমের একটি ছাগল চলে যায় এবং গাছ খেয়ে ফেলে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরবর্তীতে কথা বলতে বলতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তা সংঘর্ষের রূপ নেয়। পূর্ব থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল, যা এই আকস্মিক সংঘর্ষকে আরও উসকে দেয়।

সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রনি তার হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমকে উপর্যুপরি আঘাত করতে শুরু করেন। চাকুর গুরুতর আঘাতের কারণে ঘটনাস্থলেই আবুল কাশেম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়। হামলায় বাধা দিতে গেলে আবুল কাশেমের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হন।

এই নৃশংস ঘটনায় নিহত আবুল কাশেমের পরিবারের চার সদস্য গুরুতর জখম হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা হলেন নিহতের বড় ভাই মুক্তার আলী, তাঁর স্ত্রী রেখা বেগম, অপর বড় ভাই বদিউল ইসলাম এবং ছোট ভাই ইমরান আলী। স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করান, যেখানে তাঁরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।