ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মার্কিন রণতরিসহ ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র Logo এশিয়ান গেমস ফাইনালের আগে ভারতকে স্বস্তি দিলেন নাকভি Logo বিদেশি অপারেটরের হাতে বন্দর, ক্ষুব্ধ শ্রমিক সংগঠনগুলো Logo ফ্যাসিবাদের পাহারাদার তারেক রহমানের দপ্তর: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী Logo সরকার জন্মগত ঠোঁট ও তালু কাটা শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে অঙ্গীকারবদ্ধ: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী Logo আজ রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিকের জ্বালানি Logo বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী—ছড়ানো তথ্যটি সঠিক নয় Logo ঢাকায় কাল শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ Logo অবশেষে ধুমধামে বিয়ে সুচিত্রার Logo চলতি মাসেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

আজ রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিকের জ্বালানি

রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো বিমানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম গণমাধ্যমকে এই জ্বালানি পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই পারমাণবিক চালানটি কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে নির্দিষ্ট গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাজাখস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ভারত হয়ে এই বিশেষ বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে এই পারমাণবিক জ্বালানি আগের দিন আসার কথা থাকলেও কিছু অনিবার্য কারণে তা এক দিন পিছিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী, জ্বালানিটি ঢাকায় পৌঁছানোর পর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্থানান্তরের কাজ শুরু হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রসাটম জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো জ্বালানি সরবরাহ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে। এই চালানের মাধ্যমে রূপপুরের প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিং এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা দুই হাজার চারশ মেগাওয়াট। এর আগে প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হলেও বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তন ঘটে। সম্প্রতি প্রথম ইউনিটের সেফটি ভালভে ত্রুটি দেখা দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা তা সফলভাবে মেরামত করতে সক্ষম হয়েছেন। বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে এই ইউনিটে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। সমস্ত পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হলে এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শিগগিরই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রকল্প চালুর প্রথম তিন বছর রাশিয়া নিয়মিতভাবে এই জ্বালানি সরবরাহ করবে। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পরপর জ্বালানি পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশকে নিয়মমাফিক তা আমদানি করতে হবে। রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ব্যবহৃত জ্বালানির এক-চতুর্থাংশ প্রায় দেড় বছর পর পর পরিবর্তন করার নিয়ম রয়েছে, যার কারণে এই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রমও বেশ ভালোভাবে এগিয়ে চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জনপ্রিয়

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মার্কিন রণতরিসহ ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আজ রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিকের জ্বালানি

প্রকাশিত ০৬:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো বিমানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম গণমাধ্যমকে এই জ্বালানি পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই পারমাণবিক চালানটি কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে নির্দিষ্ট গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাজাখস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ভারত হয়ে এই বিশেষ বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে এই পারমাণবিক জ্বালানি আগের দিন আসার কথা থাকলেও কিছু অনিবার্য কারণে তা এক দিন পিছিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী, জ্বালানিটি ঢাকায় পৌঁছানোর পর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্থানান্তরের কাজ শুরু হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রসাটম জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো জ্বালানি সরবরাহ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে। এই চালানের মাধ্যমে রূপপুরের প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিং এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা দুই হাজার চারশ মেগাওয়াট। এর আগে প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হলেও বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তন ঘটে। সম্প্রতি প্রথম ইউনিটের সেফটি ভালভে ত্রুটি দেখা দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা তা সফলভাবে মেরামত করতে সক্ষম হয়েছেন। বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে এই ইউনিটে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। সমস্ত পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হলে এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শিগগিরই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রকল্প চালুর প্রথম তিন বছর রাশিয়া নিয়মিতভাবে এই জ্বালানি সরবরাহ করবে। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পরপর জ্বালানি পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশকে নিয়মমাফিক তা আমদানি করতে হবে। রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ব্যবহৃত জ্বালানির এক-চতুর্থাংশ প্রায় দেড় বছর পর পর পরিবর্তন করার নিয়ম রয়েছে, যার কারণে এই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রমও বেশ ভালোভাবে এগিয়ে চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।