ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি Logo সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ‘পতিত দোসরদের’ নাশকতার চেষ্টা: রিজভী Logo কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোক্তা মেলা Logo পাবিপ্রবির সেন্ট্রাল ক্যাফেটারিয়ার খাবারে মিলল কেড়া পোকা, ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন গোবিপ্রবির ১০ শিক্ষার্থী  Logo লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি Logo ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ৮ শিক্ষার্থী Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন পাবিপ্রবির ১১ শিক্ষার্থী ‎ Logo নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ, স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের Logo ফিনল্যান্ডে গুগলের ডেটা সেন্টারের কাজ বন্ধের নির্দেশ

অক্টোবরে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি আসছে: রোসাটম

দেশের সর্ববৃহৎ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজে আরেকটি বড় মাইলফলক অর্জিত হতে যাচ্ছে। প্রকল্পটির দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম দেশে এসে পৌঁছানোর সুনির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর মাস থেকেই এই জ্বালানি চালান বাংলাদেশে আসা শুরু করবে। এর মাধ্যমে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটমের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে প্রথম ইউনিটের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ করেছিল রুশ এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সন্তোষজনক হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই এই জ্বালানি রূপপুর প্রকল্পে নিয়ে আসা হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি আসার মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রস্তুতি আরও জোরালো হবে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। জ্বালানি হস্তান্তরের সময় উভয় দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মার তীরে বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল ও প্রযুক্তিগতভাবে জটিল প্রকল্প। রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় প্রকল্পটি নির্মিত হচ্ছে এবং এর সিংহভাগ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জ্বালানি আসার পর পর্যায়ক্রমে পরীক্ষামূলক চালুকরণ এবং পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

জনপ্রিয়

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

অক্টোবরে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি আসছে: রোসাটম

প্রকাশিত ১১:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের সর্ববৃহৎ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজে আরেকটি বড় মাইলফলক অর্জিত হতে যাচ্ছে। প্রকল্পটির দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম দেশে এসে পৌঁছানোর সুনির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর মাস থেকেই এই জ্বালানি চালান বাংলাদেশে আসা শুরু করবে। এর মাধ্যমে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটমের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে প্রথম ইউনিটের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ করেছিল রুশ এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সন্তোষজনক হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই এই জ্বালানি রূপপুর প্রকল্পে নিয়ে আসা হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি আসার মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রস্তুতি আরও জোরালো হবে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। জ্বালানি হস্তান্তরের সময় উভয় দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মার তীরে বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল ও প্রযুক্তিগতভাবে জটিল প্রকল্প। রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় প্রকল্পটি নির্মিত হচ্ছে এবং এর সিংহভাগ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জ্বালানি আসার পর পর্যায়ক্রমে পরীক্ষামূলক চালুকরণ এবং পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।