ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অলরাউন্ড ডিউরেবল চ্যাম্পিয়ন ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০ Logo পুত্রবধূকে ‘চাকরি না দেওয়ায়’ বিদ্যালয়ে তালা, মাঠে লাগালেন কলাগাছ Logo কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর Logo প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, স্থানীয়দের হাতে আটক পুলিশ কর্মকর্তা Logo ছবি ও ভিডিওতে এআই মডেলের প্রভাব, যেভাবে ঝুঁকিতে পড়তে পারে তরুণদের মনস্তত্ত্ব Logo স্বৈরাচার উৎখাতে আমরা যতটা ভালো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় ততটাই খারাপ: মাহফুজ আনাম Logo ঘোস্টিংয়ের পর অরবিটিং মানেই কি ফিরে আসা? সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে প্রাক্তন সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে Logo ৭০ মিটার গভীর থেকে এক শিশুকে তুলে এনে আফগানিস্তানে নায়ক ১১ বছরের হজরত ওমর Logo তুমব্রু সীমান্তে ৪ লাখ ইয়াবা জব্দের দাবি বিজিবির Logo ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন

ঘোস্টিংয়ের পর অরবিটিং মানেই কি ফিরে আসা? সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে প্রাক্তন সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে

বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রেমের সম্পর্ক ভাঙার পরো তা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসা যেন এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম বন্ধ করে হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া বা ঘোস্টিংয়ের ঘটনা এখন বেশ পরিচিত। তবে এই পর্ব শেষ হওয়ার পরও অনেক সময় প্রাক্তনের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন উপায়ে নজর রাখার প্রবণতা দেখা যায়। আধুনিক মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই অদ্ভুত আচরণকেই বলা হচ্ছে অরবিটিং, যা সম্পর্কের সমীকরণকে আরও বেশি গোলমেলে করে তোলে।

সম্পর্ক পুরোপুরি চুকে যাওয়ার পরও প্রাক্তনের এই ধরনের ডিজিটাল উপস্থিতি মানুষের মনে নানা ধরনের বিভ্রান্তির জন্ম দেয়। ইনস্টাগ্রামের স্টোরি দেখা, ফেসবুক পোস্টে লাইক দেওয়া কিংবা পুরনো স্মৃতির টানে হঠাৎ অনলাইনে উঁকিঝুঁকি দেওয়া—এসবের আসল অর্থ বোঝা বেশ কঠিন। এটি কি তবে পুরনো সম্পর্কে পুনরায় ফিরে আসার কোনো সুপ্ত ইঙ্গিত, নাকি বিষয়টি নেহাতই কৌতূহলবশত ঘটে থাকে, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন।

এই ধরনের লুকোচুরি খেলা সম্পর্ক ভাঙার কষ্টকে আরও দীর্ঘায়িত করে এবং মানসিক শান্তি নষ্ট করতে বড় ভূমিকা রাখে। যখন কেউ প্রাক্তনের প্রতিটি অনলাইন কার্যকলাপ নিয়ে অতিরিক্ত ভাবতে শুরু করেন, তখন তা তাকে মানসিকভাবে ক্লান্ত ও বিপর্যস্ত করে তোলে। ফলে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা এবং নতুন করে পথচলা শুরু করার প্রক্রিয়াটি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।

এই ধরনের মানসিক টানাপোড়েন থেকে রক্ষা পেতে বিশেষজ্ঞরা সবসময় সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। প্রাক্তনের এই ধরনের বিভ্রান্তিকর আচরণকে পাত্তা না দিয়ে বরং ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। প্রয়োজনে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ব্লক করা বা আনফলো করার মতো কঠোর পদক্ষেপ নিলে মনকে শান্ত রাখা এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকা অনেকটাই সহজ হয়।

জনপ্রিয়

অলরাউন্ড ডিউরেবল চ্যাম্পিয়ন ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০

ঘোস্টিংয়ের পর অরবিটিং মানেই কি ফিরে আসা? সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে প্রাক্তন সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে

প্রকাশিত ০৮:৩০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রেমের সম্পর্ক ভাঙার পরো তা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসা যেন এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম বন্ধ করে হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া বা ঘোস্টিংয়ের ঘটনা এখন বেশ পরিচিত। তবে এই পর্ব শেষ হওয়ার পরও অনেক সময় প্রাক্তনের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন উপায়ে নজর রাখার প্রবণতা দেখা যায়। আধুনিক মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই অদ্ভুত আচরণকেই বলা হচ্ছে অরবিটিং, যা সম্পর্কের সমীকরণকে আরও বেশি গোলমেলে করে তোলে।

সম্পর্ক পুরোপুরি চুকে যাওয়ার পরও প্রাক্তনের এই ধরনের ডিজিটাল উপস্থিতি মানুষের মনে নানা ধরনের বিভ্রান্তির জন্ম দেয়। ইনস্টাগ্রামের স্টোরি দেখা, ফেসবুক পোস্টে লাইক দেওয়া কিংবা পুরনো স্মৃতির টানে হঠাৎ অনলাইনে উঁকিঝুঁকি দেওয়া—এসবের আসল অর্থ বোঝা বেশ কঠিন। এটি কি তবে পুরনো সম্পর্কে পুনরায় ফিরে আসার কোনো সুপ্ত ইঙ্গিত, নাকি বিষয়টি নেহাতই কৌতূহলবশত ঘটে থাকে, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন।

এই ধরনের লুকোচুরি খেলা সম্পর্ক ভাঙার কষ্টকে আরও দীর্ঘায়িত করে এবং মানসিক শান্তি নষ্ট করতে বড় ভূমিকা রাখে। যখন কেউ প্রাক্তনের প্রতিটি অনলাইন কার্যকলাপ নিয়ে অতিরিক্ত ভাবতে শুরু করেন, তখন তা তাকে মানসিকভাবে ক্লান্ত ও বিপর্যস্ত করে তোলে। ফলে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা এবং নতুন করে পথচলা শুরু করার প্রক্রিয়াটি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।

এই ধরনের মানসিক টানাপোড়েন থেকে রক্ষা পেতে বিশেষজ্ঞরা সবসময় সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। প্রাক্তনের এই ধরনের বিভ্রান্তিকর আচরণকে পাত্তা না দিয়ে বরং ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। প্রয়োজনে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ব্লক করা বা আনফলো করার মতো কঠোর পদক্ষেপ নিলে মনকে শান্ত রাখা এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকা অনেকটাই সহজ হয়।