ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত পদক, জিন্নাতের মনে পড়ছে বাবাকে

খেলা ডেস্ক: চলমান এশিয়ান গেমসে দেশের জন্য অনন্য এক গৌরব বয়ে এনেছেন জিন্নাত। নেত্রকোনার এই কৃতি নারী ক্রীড়াবিদ অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্যের মধ্য দিয়ে বহুদিনের পদকহীন থাকার হতাশা কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এটি চলতি আসরের একমাত্র এবং অত্যন্ত মূল্যবান পদক হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।

এই ঐতিহাসিক অর্জনের সুবাদে এশিয়ান গেমসের ক্রীড়া ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এর আগে দীর্ঘ চার দশক ধরে মহাদেশীয় এই প্রতিযোগিতার ব্যক্তিগত ইভেন্টে কোনো পদকের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। জিন্নাতের এই সাফল্যের হাত ধরে অবসান ঘটেছে দীর্ঘ প্রায় চল্লিশ বছরের সেই হতাশার খরা। তাইতো সারা দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও সংশ্লিষ্টরা তাকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বিদেশের মাটিতে এই বিরল সাফল্যের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি প্রিয় বাবাকে বড় বেশি মনে পড়ছে জিন্নাতের। বিজয়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তার সাফল্যের নেপথ্যে বাবার অবদানের কথা স্মরণ করেন। শৈশব থেকে শুরু করে বর্তমান অবস্থানে পৌঁছানোর দীর্ঘ লড়াইয়ে তার বাবা সবসময় সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নেত্রকোনার মতো মফস্বল শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন সাফল্য অর্জন করা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। জিন্নাতের এই পদক জয় দেশের নারী ক্রীড়াবিদদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। আগামী দিনে সঠিক সুযোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের তরুণ প্রজন্ম বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য এনে দিতে পারবে বলে সকলে আশাবাদী।

জনপ্রিয়

মেসির জার্সি পাওয়া নিয়ে বেনিনের দুই খেলোয়াড়ের তর্ক

৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত পদক, জিন্নাতের মনে পড়ছে বাবাকে

প্রকাশিত ০৭:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: চলমান এশিয়ান গেমসে দেশের জন্য অনন্য এক গৌরব বয়ে এনেছেন জিন্নাত। নেত্রকোনার এই কৃতি নারী ক্রীড়াবিদ অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্যের মধ্য দিয়ে বহুদিনের পদকহীন থাকার হতাশা কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এটি চলতি আসরের একমাত্র এবং অত্যন্ত মূল্যবান পদক হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।

এই ঐতিহাসিক অর্জনের সুবাদে এশিয়ান গেমসের ক্রীড়া ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এর আগে দীর্ঘ চার দশক ধরে মহাদেশীয় এই প্রতিযোগিতার ব্যক্তিগত ইভেন্টে কোনো পদকের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। জিন্নাতের এই সাফল্যের হাত ধরে অবসান ঘটেছে দীর্ঘ প্রায় চল্লিশ বছরের সেই হতাশার খরা। তাইতো সারা দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও সংশ্লিষ্টরা তাকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বিদেশের মাটিতে এই বিরল সাফল্যের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি প্রিয় বাবাকে বড় বেশি মনে পড়ছে জিন্নাতের। বিজয়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তার সাফল্যের নেপথ্যে বাবার অবদানের কথা স্মরণ করেন। শৈশব থেকে শুরু করে বর্তমান অবস্থানে পৌঁছানোর দীর্ঘ লড়াইয়ে তার বাবা সবসময় সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নেত্রকোনার মতো মফস্বল শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন সাফল্য অর্জন করা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। জিন্নাতের এই পদক জয় দেশের নারী ক্রীড়াবিদদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। আগামী দিনে সঠিক সুযোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের তরুণ প্রজন্ম বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য এনে দিতে পারবে বলে সকলে আশাবাদী।