স্বাস্থ্য ডেস্ক: হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বললেই সাধারণত দুধ, দই বা নানা ধরনের ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটের কথা মাথায় আসে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, আমাদের অতি পরিচিত প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা তিলও হাড়ের গঠন মজবুত রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই ক্ষুদ্র দানার মধ্যে রয়েছে পুষ্টির এক বিশাল সমাহার যা শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে কাজ করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তিলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস এবং জিংকের মতো পুষ্টিকর খনিজ উপাদান বিদ্যমান রয়েছে। এসব খনিজ হাড়ের স্বাভাবিক গঠন বজায় রাখার পাশাপাশি এর অভ্যন্তরীণ কার্যকারিতা উন্নত করতেও দারুণভাবে সহায়তা করে। ফলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় তিল রাখা হলে তা হাড়ের বিভিন্ন ক্ষয়জনিত সমস্যা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
পুষ্টিবিদরা দীর্ঘদিন ধরেই সুষম খাদ্য তালিকার ওপর জোর দিয়ে আসছেন যেখানে প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রয়োজনীয় খনিজ গ্রহণ করার কথা বলা হয়। কৃত্রিম উপাদানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তিলের মতো প্রাকৃতিক বীজ খাবারের তালিকায় যুক্ত করলে শরীরের পুষ্টির চাহিদা সহজেই পূরণ করা সম্ভব। এটি বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের হাড়ের সুরক্ষায় বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, সুস্থ জীবনযাপন এবং শক্ত হাড়ের অধিকারী হতে তিলকে একটি চমৎকার বিকল্প খাদ্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে এটি গ্রহণ করলে তা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দৈনন্দিন রান্নায় বা সালাদের সঙ্গে অল্প পরিমাণ তিল যোগ করার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।





































