ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আলেমদের নিজস্ব রাজনীতি করতে হবে, অন্যের গেমের গুটি হওয়া যাবে না Logo মা হওয়ার পর লন্ডনের রাস্তায় ক্যাটরিনার নজরকাড়া স্টাইল Logo ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য: মঈন খান Logo জামায়াত আমিরের মানবতাবিরোধী অপরাধেও এনসিপি নীরব কেন, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের Logo বিমানবন্দরে ‘ডিআইজি’ পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত Logo যে কারণে ডা. জুবাইদা রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন চিফ হুইপ Logo একটি বড় দলের সাধারণ সম্পাদকের ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে: ডিএনসিসি প্রশাসক Logo সাত দফা দাবিতে ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া মহাসড়কে লংমার্চ Logo মাদ্রাসাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি বিএমজিটিএর Logo সব ধর্মের মানুষের মিলেমিশে বসবাসের আহ্বান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফট, ইনফোসিস, টাটাসহ আটটি কোম্পানির ওপর ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে দেশের বাজারে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটার কারণে কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট এবং ইনফোসিস ও টাটার মতো প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

মার্কিন শ্রম দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা কিথ সোন্ডারলিং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামের আওতায় উল্লেখিত আটটি প্রতিষ্ঠানের নতুন করে কোনো আবেদন এখন আর গ্রহণ করা হবে না। একই সঙ্গে এই প্রোগ্রামটির অধীনে পূর্বে দাখিল করা চলমান ভিসা আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াও আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত এই বিশেষ ব্যবস্থার সুুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবে।

মূলত স্থানীয় শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং অভিবাসী কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার ফলে মার্কিন শ্রমবাজারের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে। তবে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই সিদ্ধান্তের ফলে উল্লেখিত কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ জনবল পরিকল্পনা এবং বৈশ্বিক প্রতিভা সংগ্রহের কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। মার্কিন সরকারের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতে অন্যান্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং কোম্পানিগুলো এর বিপরীতে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

জনপ্রিয়

আলেমদের নিজস্ব রাজনীতি করতে হবে, অন্যের গেমের গুটি হওয়া যাবে না

বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফট, ইনফোসিস, টাটাসহ আটটি কোম্পানির ওপর ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত ০৬:১৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে দেশের বাজারে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটার কারণে কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট এবং ইনফোসিস ও টাটার মতো প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

মার্কিন শ্রম দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা কিথ সোন্ডারলিং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামের আওতায় উল্লেখিত আটটি প্রতিষ্ঠানের নতুন করে কোনো আবেদন এখন আর গ্রহণ করা হবে না। একই সঙ্গে এই প্রোগ্রামটির অধীনে পূর্বে দাখিল করা চলমান ভিসা আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াও আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত এই বিশেষ ব্যবস্থার সুুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবে।

মূলত স্থানীয় শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং অভিবাসী কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার ফলে মার্কিন শ্রমবাজারের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে। তবে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই সিদ্ধান্তের ফলে উল্লেখিত কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ জনবল পরিকল্পনা এবং বৈশ্বিক প্রতিভা সংগ্রহের কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। মার্কিন সরকারের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতে অন্যান্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং কোম্পানিগুলো এর বিপরীতে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।