ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দুইশ বছরের ঐতিহ্যে পূর্বপুরুষ স্মরণে মুখর বরিশাল মহাশ্মশান Logo কুবি প্রেস ক্লাবের দুই দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপ্তি Logo তুরস্ক যাত্রা জাবি উপাচার্যের: অংশ নেবেন কোপ-৩১ সম্মেলনে Logo মিরপুরে ‘বাইকে এসে বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা’ Logo পাবিপ্রবিতে চুরির অভিযোগে বৃদ্ধ আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর Logo সঙ্ঘবদ্ধভাবে সিনিয়রকে মারধরের অভিযোগ জাবি ছাত্রদল নেতা লাবিবের বিরুদ্ধে ‎ Logo পাবিপ্রবিতে সলভার গ্রীনের নতুন কমিটি নেতৃত্বে অপূর্ব – রাশেদুল ও আয়শা Logo অধিনায়কের গোলে আর্সেনালের জয় Logo জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবিতে শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo “ক্যাম্পাস সাংবাদিক এবং আমরা সহযোদ্ধা”: নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতিতে নাহিদ ইসলাম

সঙ্ঘবদ্ধভাবে সিনিয়রকে মারধরের অভিযোগ জাবি ছাত্রদল নেতা লাবিবের বিরুদ্ধে ‎

‎‎জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেন্সিং অ্যান্ড জিআইএস’র এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য সামিন ইয়াসার লাবিবের বিরুদ্ধে।
‎
‎ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম শিহাব বিশ্বাস, ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেন্সিং অ্যান্ড জিআইএস-এর ষষ্ঠ ব্যাচের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী।
‎
‎শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগ পত্র জমা দেয় ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত লাবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৫২ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী।
‎
‎ভুক্তভোগী জানান, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে দুইজন অতিথিসহ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন সুইজারল্যান্ড এলাকায় একটি মাচায় বসে থাকা অবস্থায় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সামিন ইয়াসার লাবিবসহ আরেকজন আমাকে মাচা থেকে উঠতে বলে, এরপর আমি আমার স্টুডেন্ট আইডি কার্ড দেখালেও সে বাজে ব্যবহার করে ও কিছুক্ষন পরে ১৫-২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে এসে আমার ওপর হামলা করে। হামলায় আমার নাক, মুখ, কান ও গাল দিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। আমি মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরেও তারা আমাকে মারধর করেন এবং শার্টের কলার ধরে টেনে নিয়ে আরও চার-পাঁচ থাপ্পড় মারে।
‎
‎অভিযুক্ত সামিন ইয়াসার লাবিব বলেন, অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বলেন, ‘গতকাল আমাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছে, তবে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মারধরের অভিযোগটি অসত্য।
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হালিম বলেন, তিনি বলেন, ‘আমরা অভিযোগপত্র পেয়েছি এবং এ বিষয়ে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তদন্ত কমিটি অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনবে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাঁদের বক্তব্যও নেওয়া হবে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
‎
‎
‎

জনপ্রিয়

দুইশ বছরের ঐতিহ্যে পূর্বপুরুষ স্মরণে মুখর বরিশাল মহাশ্মশান

সঙ্ঘবদ্ধভাবে সিনিয়রকে মারধরের অভিযোগ জাবি ছাত্রদল নেতা লাবিবের বিরুদ্ধে ‎

প্রকাশিত ১১:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

‎‎জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেন্সিং অ্যান্ড জিআইএস’র এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য সামিন ইয়াসার লাবিবের বিরুদ্ধে।
‎
‎ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম শিহাব বিশ্বাস, ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেন্সিং অ্যান্ড জিআইএস-এর ষষ্ঠ ব্যাচের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী।
‎
‎শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগ পত্র জমা দেয় ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত লাবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৫২ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী।
‎
‎ভুক্তভোগী জানান, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে দুইজন অতিথিসহ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন সুইজারল্যান্ড এলাকায় একটি মাচায় বসে থাকা অবস্থায় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সামিন ইয়াসার লাবিবসহ আরেকজন আমাকে মাচা থেকে উঠতে বলে, এরপর আমি আমার স্টুডেন্ট আইডি কার্ড দেখালেও সে বাজে ব্যবহার করে ও কিছুক্ষন পরে ১৫-২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে এসে আমার ওপর হামলা করে। হামলায় আমার নাক, মুখ, কান ও গাল দিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। আমি মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরেও তারা আমাকে মারধর করেন এবং শার্টের কলার ধরে টেনে নিয়ে আরও চার-পাঁচ থাপ্পড় মারে।
‎
‎অভিযুক্ত সামিন ইয়াসার লাবিব বলেন, অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বলেন, ‘গতকাল আমাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছে, তবে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মারধরের অভিযোগটি অসত্য।
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হালিম বলেন, তিনি বলেন, ‘আমরা অভিযোগপত্র পেয়েছি এবং এ বিষয়ে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তদন্ত কমিটি অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনবে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাঁদের বক্তব্যও নেওয়া হবে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
‎
‎
‎