ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য শুরু হলো ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’ Logo দ্বিতীয় প্রান্তিকেও মুনাফার শক্তিশালী ধারা অব্যাহত রেখেছে রবি Logo আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলনে এমপি ফজলুল হক মিলনের অংশগ্রহণ Logo তৈরি পোশাকশিল্পে দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে বিজিএমইএর সঙ্গে কাজ করছে হপ লুন Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo পাবিপ্রবিতে ফের মারামারি, দায়িত্ব পালনে সাংবাদিককে বাধা Logo তিন বছর পর হাবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পাবলিক স্পিকিং কম্পিটিশন ‘Lets Talk’ Logo যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৩ বছরে আসবে ৭১ হাজার কোটি টাকার এলএনজি Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি: সারজিস Logo বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে পুলিশে দিলো বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতারা

কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের এক নেতা কে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। জানা যায়, রাকিব হোসেন ছাত্রলীগের কবি নজরুল কলেজ শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ২০১৯-২০ সেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী। রাকিব কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাওলাদারের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্রে অনার্স ২য় বর্ষের মানোন্নয়ন পরীক্ষা শেষে চলে যাওয়ার সময় কলেজের মূল ফটকে বৈষমবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাথীরা তাকে ও তার বন্ধু ২০১৯-২০ সেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতেখার উদ্দীন সোহাসকে মারধর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দু’জনকে নিয়ে যায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক মেহেদী হাসান বলেন, রাকিব নানা সময়ে ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে হেনস্থা করতো। গত জুলাই মাসের সহিংসতায় সে সরাসরি যুক্ত থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে। এজন্য আজ তাকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।

সুত্রাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম অভিযাত্রাকে জানান, রাকিবের নামে সূত্রাপুর থানায় কবি নজরুল কলেজের সামনে শিক্ষার্থী হত্যা মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর ইফতেখারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। রাকিব ও ইফতেখার দুই বন্ধু। পরীক্ষা শেষে সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে রাকিবকে মারধর করার সময় ইফতেখার তাকে বাঁচাতে গেলে দুইজনই মারধরের শিকার হয়। তখন ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুজনকেই আমরা থানায় নিয়ে আসি। পরবর্তীতে ইফতাকারকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, মারধর বা থানায় নিয়ে যাবার বিষয়ে আমি এখনো কিছু জানি না, কেউ আমাকে জানায়ও নি। তবে আমি বিষয়টি সম্পর্কে এখুনি খোঁজ নিচ্ছি।

জনপ্রিয়

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য শুরু হলো ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’

ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে পুলিশে দিলো বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতারা

প্রকাশিত ১০:৫৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের এক নেতা কে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। জানা যায়, রাকিব হোসেন ছাত্রলীগের কবি নজরুল কলেজ শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ২০১৯-২০ সেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী। রাকিব কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাওলাদারের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্রে অনার্স ২য় বর্ষের মানোন্নয়ন পরীক্ষা শেষে চলে যাওয়ার সময় কলেজের মূল ফটকে বৈষমবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাথীরা তাকে ও তার বন্ধু ২০১৯-২০ সেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতেখার উদ্দীন সোহাসকে মারধর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দু’জনকে নিয়ে যায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক মেহেদী হাসান বলেন, রাকিব নানা সময়ে ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে হেনস্থা করতো। গত জুলাই মাসের সহিংসতায় সে সরাসরি যুক্ত থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে। এজন্য আজ তাকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।

সুত্রাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম অভিযাত্রাকে জানান, রাকিবের নামে সূত্রাপুর থানায় কবি নজরুল কলেজের সামনে শিক্ষার্থী হত্যা মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর ইফতেখারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। রাকিব ও ইফতেখার দুই বন্ধু। পরীক্ষা শেষে সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে রাকিবকে মারধর করার সময় ইফতেখার তাকে বাঁচাতে গেলে দুইজনই মারধরের শিকার হয়। তখন ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুজনকেই আমরা থানায় নিয়ে আসি। পরবর্তীতে ইফতাকারকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, মারধর বা থানায় নিয়ে যাবার বিষয়ে আমি এখনো কিছু জানি না, কেউ আমাকে জানায়ও নি। তবে আমি বিষয়টি সম্পর্কে এখুনি খোঁজ নিচ্ছি।