ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক

ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে পুলিশে দিলো বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতারা

কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের এক নেতা কে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। জানা যায়, রাকিব হোসেন ছাত্রলীগের কবি নজরুল কলেজ শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ২০১৯-২০ সেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী। রাকিব কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাওলাদারের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্রে অনার্স ২য় বর্ষের মানোন্নয়ন পরীক্ষা শেষে চলে যাওয়ার সময় কলেজের মূল ফটকে বৈষমবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাথীরা তাকে ও তার বন্ধু ২০১৯-২০ সেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতেখার উদ্দীন সোহাসকে মারধর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দু’জনকে নিয়ে যায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক মেহেদী হাসান বলেন, রাকিব নানা সময়ে ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে হেনস্থা করতো। গত জুলাই মাসের সহিংসতায় সে সরাসরি যুক্ত থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে। এজন্য আজ তাকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।

সুত্রাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম অভিযাত্রাকে জানান, রাকিবের নামে সূত্রাপুর থানায় কবি নজরুল কলেজের সামনে শিক্ষার্থী হত্যা মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর ইফতেখারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। রাকিব ও ইফতেখার দুই বন্ধু। পরীক্ষা শেষে সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে রাকিবকে মারধর করার সময় ইফতেখার তাকে বাঁচাতে গেলে দুইজনই মারধরের শিকার হয়। তখন ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুজনকেই আমরা থানায় নিয়ে আসি। পরবর্তীতে ইফতাকারকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, মারধর বা থানায় নিয়ে যাবার বিষয়ে আমি এখনো কিছু জানি না, কেউ আমাকে জানায়ও নি। তবে আমি বিষয়টি সম্পর্কে এখুনি খোঁজ নিচ্ছি।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে পুলিশে দিলো বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতারা

প্রকাশিত ১০:৫৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের এক নেতা কে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। জানা যায়, রাকিব হোসেন ছাত্রলীগের কবি নজরুল কলেজ শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ২০১৯-২০ সেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী। রাকিব কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাওলাদারের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্রে অনার্স ২য় বর্ষের মানোন্নয়ন পরীক্ষা শেষে চলে যাওয়ার সময় কলেজের মূল ফটকে বৈষমবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাথীরা তাকে ও তার বন্ধু ২০১৯-২০ সেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতেখার উদ্দীন সোহাসকে মারধর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দু’জনকে নিয়ে যায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক মেহেদী হাসান বলেন, রাকিব নানা সময়ে ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে হেনস্থা করতো। গত জুলাই মাসের সহিংসতায় সে সরাসরি যুক্ত থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে। এজন্য আজ তাকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।

সুত্রাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম অভিযাত্রাকে জানান, রাকিবের নামে সূত্রাপুর থানায় কবি নজরুল কলেজের সামনে শিক্ষার্থী হত্যা মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর ইফতেখারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। রাকিব ও ইফতেখার দুই বন্ধু। পরীক্ষা শেষে সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে রাকিবকে মারধর করার সময় ইফতেখার তাকে বাঁচাতে গেলে দুইজনই মারধরের শিকার হয়। তখন ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুজনকেই আমরা থানায় নিয়ে আসি। পরবর্তীতে ইফতাকারকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, মারধর বা থানায় নিয়ে যাবার বিষয়ে আমি এখনো কিছু জানি না, কেউ আমাকে জানায়ও নি। তবে আমি বিষয়টি সম্পর্কে এখুনি খোঁজ নিচ্ছি।