ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনসহ বিভিন্ন দাবিতে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০৯:০২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • ১৮০ বার পঠিত

রিটেক পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন, বর্ষ উন্নয়নের নিয়ম পরিবর্তন ও রিটেক পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অন্য তিনটি পৃথক ব্যাচের জন্য আলাদা আলাদা পরীক্ষার নীতিমালা চালু থাকলেও শুধুমাত্র ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণীত বিশেষ নিয়মাবলি তাদেরকে অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে দাবি করেন তারা।

আজ রবিবার (১৩ জুলাই ২০২৫) বেলা ৩:৪৫ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির (যবিপ্রবিসাস) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে  এ কথা জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অর্ডিনেন্স অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী যদি কোনো কোর্সে অকৃতকার্য হয় সে একবারই রিটেক পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। কোনো শিক্ষার্থী যদি কোনো কারনে রিটেকে অকৃতকার্য হয়, তাহলে তাকে প্রতি কোর্সের জন্য ৫০০০ টাকা জরিমানা  দিয়ে স্পেশাল রিটেক দিতে হবে। স্পেশাল রিটেক ক্লিয়ার করতে না পারলে বর্ষ উন্নয়নের সুযোগ পাবে নাহ।যেখানে তাদের পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোর জন্য ৪ বার রিটেক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া পরবর্তী ব্যাচ গুলোর সাথেও আমাদের নম্বর বন্টনে কোনো মিল নেই, পরবর্তী ব্যাচের  ইন্টার্নাল মার্ক ৪০ এবং মূল সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় ৬০ মার্ক রাখা হয়েছে।

এসময় তারা আরো বলেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর একটি কোর্সে অকৃতকার্য থাকার কারনে তাকে বর্ষউন্নতির সুযোগ না দেওয়াকে আমরা অমানবিক মনে করছি। এমনকি পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোতে রিটেক এক্সামের রেজাল্ট ৩.৭৫ এর উপরে পাওয়ার পর ০.২৫ করে কর্তন করা হতো, সেখানে আমাদের ৩.০০ এর উপরে পেলেই ০.২৫ কর্তন করা হয়। এতে করে কেও কোনো কারনে পরিক্ষায় অনুপস্থিত হলে, তার একাডেমিক রেজাল্ট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

ভর্তির সময় এক নিয়ম আর পরীক্ষার আগে জানানো হয় আরেক নিয়ম উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, যখন আমাদের এই নতুন নিয়ম জানানো হয় তখন অনেক  ডিপার্টমেন্টে ১ম বর্ষ ১ম পর্বের পরিক্ষা শুরু হয়ে যায়। আমরা এই নিয়মের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা বৈষম্যের স্বীকার। আমরা আমাদের পূর্ববর্তী ব্যাচের নিয়মে ফিরে যেতে চাই। আমরা আগের নিয়ম জেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাশফি চৌধুরী (ম্যানেজমেন্ট), শেখ আবু সুফিয়ান (মার্কেটিং), মো: জারির আল মারুফ (এআইএস), রাফিদ ইবনে হাসান( মার্কেটিং ), রবিউল ইসলাম শিমুল (ম্যানেজমেন্ট), ফারহান ফুয়াদ সামি (টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারং), অরবিন্দু কুমার পাল (ম্যানেজমেন্ট), আব্দুল্লাহ আল হাসিব (ম্যানেজমেন্ট),তৌফিক ইমরান (ম্যানেজমেন্ট), রাজিন রহমান ( ম্যানেজমেন্ট), মৃন্ময় মন্ডল (ম্যানেজমেন্ট), মুনতাসির মাহমুদ (ম্যানেজমেন্ট), নাজমুল শান্ত (এআইএস), তানজিল (গনিত)।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনসহ বিভিন্ন দাবিতে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত ০৯:০২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

রিটেক পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন, বর্ষ উন্নয়নের নিয়ম পরিবর্তন ও রিটেক পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অন্য তিনটি পৃথক ব্যাচের জন্য আলাদা আলাদা পরীক্ষার নীতিমালা চালু থাকলেও শুধুমাত্র ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণীত বিশেষ নিয়মাবলি তাদেরকে অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে দাবি করেন তারা।

আজ রবিবার (১৩ জুলাই ২০২৫) বেলা ৩:৪৫ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির (যবিপ্রবিসাস) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে  এ কথা জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অর্ডিনেন্স অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী যদি কোনো কোর্সে অকৃতকার্য হয় সে একবারই রিটেক পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। কোনো শিক্ষার্থী যদি কোনো কারনে রিটেকে অকৃতকার্য হয়, তাহলে তাকে প্রতি কোর্সের জন্য ৫০০০ টাকা জরিমানা  দিয়ে স্পেশাল রিটেক দিতে হবে। স্পেশাল রিটেক ক্লিয়ার করতে না পারলে বর্ষ উন্নয়নের সুযোগ পাবে নাহ।যেখানে তাদের পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোর জন্য ৪ বার রিটেক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া পরবর্তী ব্যাচ গুলোর সাথেও আমাদের নম্বর বন্টনে কোনো মিল নেই, পরবর্তী ব্যাচের  ইন্টার্নাল মার্ক ৪০ এবং মূল সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় ৬০ মার্ক রাখা হয়েছে।

এসময় তারা আরো বলেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর একটি কোর্সে অকৃতকার্য থাকার কারনে তাকে বর্ষউন্নতির সুযোগ না দেওয়াকে আমরা অমানবিক মনে করছি। এমনকি পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোতে রিটেক এক্সামের রেজাল্ট ৩.৭৫ এর উপরে পাওয়ার পর ০.২৫ করে কর্তন করা হতো, সেখানে আমাদের ৩.০০ এর উপরে পেলেই ০.২৫ কর্তন করা হয়। এতে করে কেও কোনো কারনে পরিক্ষায় অনুপস্থিত হলে, তার একাডেমিক রেজাল্ট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

ভর্তির সময় এক নিয়ম আর পরীক্ষার আগে জানানো হয় আরেক নিয়ম উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, যখন আমাদের এই নতুন নিয়ম জানানো হয় তখন অনেক  ডিপার্টমেন্টে ১ম বর্ষ ১ম পর্বের পরিক্ষা শুরু হয়ে যায়। আমরা এই নিয়মের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা বৈষম্যের স্বীকার। আমরা আমাদের পূর্ববর্তী ব্যাচের নিয়মে ফিরে যেতে চাই। আমরা আগের নিয়ম জেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাশফি চৌধুরী (ম্যানেজমেন্ট), শেখ আবু সুফিয়ান (মার্কেটিং), মো: জারির আল মারুফ (এআইএস), রাফিদ ইবনে হাসান( মার্কেটিং ), রবিউল ইসলাম শিমুল (ম্যানেজমেন্ট), ফারহান ফুয়াদ সামি (টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারং), অরবিন্দু কুমার পাল (ম্যানেজমেন্ট), আব্দুল্লাহ আল হাসিব (ম্যানেজমেন্ট),তৌফিক ইমরান (ম্যানেজমেন্ট), রাজিন রহমান ( ম্যানেজমেন্ট), মৃন্ময় মন্ডল (ম্যানেজমেন্ট), মুনতাসির মাহমুদ (ম্যানেজমেন্ট), নাজমুল শান্ত (এআইএস), তানজিল (গনিত)।