ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার Logo শুধু নিয়ন্ত্রন নয়, ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায় ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব  Logo নির্বাচনকালীন গুজব ও অপপ্রচার মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পিআইবির প্রশিক্ষণ Logo ইউনিলিভার, যুক্তরাজ্য সরকার ও ইওয়াই-এর যৌথ উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন

পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনসহ বিভিন্ন দাবিতে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০৯:০২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • ৯৪ বার পঠিত

রিটেক পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন, বর্ষ উন্নয়নের নিয়ম পরিবর্তন ও রিটেক পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অন্য তিনটি পৃথক ব্যাচের জন্য আলাদা আলাদা পরীক্ষার নীতিমালা চালু থাকলেও শুধুমাত্র ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণীত বিশেষ নিয়মাবলি তাদেরকে অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে দাবি করেন তারা।

আজ রবিবার (১৩ জুলাই ২০২৫) বেলা ৩:৪৫ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির (যবিপ্রবিসাস) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে  এ কথা জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অর্ডিনেন্স অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী যদি কোনো কোর্সে অকৃতকার্য হয় সে একবারই রিটেক পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। কোনো শিক্ষার্থী যদি কোনো কারনে রিটেকে অকৃতকার্য হয়, তাহলে তাকে প্রতি কোর্সের জন্য ৫০০০ টাকা জরিমানা  দিয়ে স্পেশাল রিটেক দিতে হবে। স্পেশাল রিটেক ক্লিয়ার করতে না পারলে বর্ষ উন্নয়নের সুযোগ পাবে নাহ।যেখানে তাদের পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোর জন্য ৪ বার রিটেক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া পরবর্তী ব্যাচ গুলোর সাথেও আমাদের নম্বর বন্টনে কোনো মিল নেই, পরবর্তী ব্যাচের  ইন্টার্নাল মার্ক ৪০ এবং মূল সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় ৬০ মার্ক রাখা হয়েছে।

এসময় তারা আরো বলেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর একটি কোর্সে অকৃতকার্য থাকার কারনে তাকে বর্ষউন্নতির সুযোগ না দেওয়াকে আমরা অমানবিক মনে করছি। এমনকি পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোতে রিটেক এক্সামের রেজাল্ট ৩.৭৫ এর উপরে পাওয়ার পর ০.২৫ করে কর্তন করা হতো, সেখানে আমাদের ৩.০০ এর উপরে পেলেই ০.২৫ কর্তন করা হয়। এতে করে কেও কোনো কারনে পরিক্ষায় অনুপস্থিত হলে, তার একাডেমিক রেজাল্ট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

ভর্তির সময় এক নিয়ম আর পরীক্ষার আগে জানানো হয় আরেক নিয়ম উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, যখন আমাদের এই নতুন নিয়ম জানানো হয় তখন অনেক  ডিপার্টমেন্টে ১ম বর্ষ ১ম পর্বের পরিক্ষা শুরু হয়ে যায়। আমরা এই নিয়মের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা বৈষম্যের স্বীকার। আমরা আমাদের পূর্ববর্তী ব্যাচের নিয়মে ফিরে যেতে চাই। আমরা আগের নিয়ম জেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাশফি চৌধুরী (ম্যানেজমেন্ট), শেখ আবু সুফিয়ান (মার্কেটিং), মো: জারির আল মারুফ (এআইএস), রাফিদ ইবনে হাসান( মার্কেটিং ), রবিউল ইসলাম শিমুল (ম্যানেজমেন্ট), ফারহান ফুয়াদ সামি (টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারং), অরবিন্দু কুমার পাল (ম্যানেজমেন্ট), আব্দুল্লাহ আল হাসিব (ম্যানেজমেন্ট),তৌফিক ইমরান (ম্যানেজমেন্ট), রাজিন রহমান ( ম্যানেজমেন্ট), মৃন্ময় মন্ডল (ম্যানেজমেন্ট), মুনতাসির মাহমুদ (ম্যানেজমেন্ট), নাজমুল শান্ত (এআইএস), তানজিল (গনিত)।

জনপ্রিয়

১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার 

পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনসহ বিভিন্ন দাবিতে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত ০৯:০২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

রিটেক পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন, বর্ষ উন্নয়নের নিয়ম পরিবর্তন ও রিটেক পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অন্য তিনটি পৃথক ব্যাচের জন্য আলাদা আলাদা পরীক্ষার নীতিমালা চালু থাকলেও শুধুমাত্র ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণীত বিশেষ নিয়মাবলি তাদেরকে অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে দাবি করেন তারা।

আজ রবিবার (১৩ জুলাই ২০২৫) বেলা ৩:৪৫ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির (যবিপ্রবিসাস) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে  এ কথা জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অর্ডিনেন্স অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী যদি কোনো কোর্সে অকৃতকার্য হয় সে একবারই রিটেক পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। কোনো শিক্ষার্থী যদি কোনো কারনে রিটেকে অকৃতকার্য হয়, তাহলে তাকে প্রতি কোর্সের জন্য ৫০০০ টাকা জরিমানা  দিয়ে স্পেশাল রিটেক দিতে হবে। স্পেশাল রিটেক ক্লিয়ার করতে না পারলে বর্ষ উন্নয়নের সুযোগ পাবে নাহ।যেখানে তাদের পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোর জন্য ৪ বার রিটেক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া পরবর্তী ব্যাচ গুলোর সাথেও আমাদের নম্বর বন্টনে কোনো মিল নেই, পরবর্তী ব্যাচের  ইন্টার্নাল মার্ক ৪০ এবং মূল সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় ৬০ মার্ক রাখা হয়েছে।

এসময় তারা আরো বলেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর একটি কোর্সে অকৃতকার্য থাকার কারনে তাকে বর্ষউন্নতির সুযোগ না দেওয়াকে আমরা অমানবিক মনে করছি। এমনকি পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোতে রিটেক এক্সামের রেজাল্ট ৩.৭৫ এর উপরে পাওয়ার পর ০.২৫ করে কর্তন করা হতো, সেখানে আমাদের ৩.০০ এর উপরে পেলেই ০.২৫ কর্তন করা হয়। এতে করে কেও কোনো কারনে পরিক্ষায় অনুপস্থিত হলে, তার একাডেমিক রেজাল্ট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

ভর্তির সময় এক নিয়ম আর পরীক্ষার আগে জানানো হয় আরেক নিয়ম উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, যখন আমাদের এই নতুন নিয়ম জানানো হয় তখন অনেক  ডিপার্টমেন্টে ১ম বর্ষ ১ম পর্বের পরিক্ষা শুরু হয়ে যায়। আমরা এই নিয়মের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা বৈষম্যের স্বীকার। আমরা আমাদের পূর্ববর্তী ব্যাচের নিয়মে ফিরে যেতে চাই। আমরা আগের নিয়ম জেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাশফি চৌধুরী (ম্যানেজমেন্ট), শেখ আবু সুফিয়ান (মার্কেটিং), মো: জারির আল মারুফ (এআইএস), রাফিদ ইবনে হাসান( মার্কেটিং ), রবিউল ইসলাম শিমুল (ম্যানেজমেন্ট), ফারহান ফুয়াদ সামি (টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারং), অরবিন্দু কুমার পাল (ম্যানেজমেন্ট), আব্দুল্লাহ আল হাসিব (ম্যানেজমেন্ট),তৌফিক ইমরান (ম্যানেজমেন্ট), রাজিন রহমান ( ম্যানেজমেন্ট), মৃন্ময় মন্ডল (ম্যানেজমেন্ট), মুনতাসির মাহমুদ (ম্যানেজমেন্ট), নাজমুল শান্ত (এআইএস), তানজিল (গনিত)।