ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

দেশে চলতি (অক্টোবর) মাসের প্রথম সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) ৮ হাজার ৪৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সে হিসেবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স আসছে প্রায় ১০ কোটি ডলার। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অক্টোবরে সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৬৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৮২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছর (জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত) ৭২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছিল। অর্থবছর হিসাবে ১৪.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্যবিদায়ী সেপ্টেম্বরে ২.৬৮ বিলিয়ন (২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা আগের অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে।

গত অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা ছিল বছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার—আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাই ১৯১.৩৭ কোটি ডলার, আগস্ট ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিল ২৭৫ কোটি, মে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

প্রকাশিত ০৮:১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

দেশে চলতি (অক্টোবর) মাসের প্রথম সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) ৮ হাজার ৪৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সে হিসেবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স আসছে প্রায় ১০ কোটি ডলার। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অক্টোবরে সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৬৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৮২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছর (জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত) ৭২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছিল। অর্থবছর হিসাবে ১৪.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্যবিদায়ী সেপ্টেম্বরে ২.৬৮ বিলিয়ন (২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা আগের অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে।

গত অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা ছিল বছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার—আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাই ১৯১.৩৭ কোটি ডলার, আগস্ট ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিল ২৭৫ কোটি, মে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।