ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার Logo শুধু নিয়ন্ত্রন নয়, ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায় ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব  Logo নির্বাচনকালীন গুজব ও অপপ্রচার মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পিআইবির প্রশিক্ষণ Logo ইউনিলিভার, যুক্তরাজ্য সরকার ও ইওয়াই-এর যৌথ উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

দেশে চলতি (অক্টোবর) মাসের প্রথম সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) ৮ হাজার ৪৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সে হিসেবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স আসছে প্রায় ১০ কোটি ডলার। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অক্টোবরে সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৬৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৮২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছর (জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত) ৭২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছিল। অর্থবছর হিসাবে ১৪.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্যবিদায়ী সেপ্টেম্বরে ২.৬৮ বিলিয়ন (২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা আগের অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে।

গত অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা ছিল বছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার—আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাই ১৯১.৩৭ কোটি ডলার, আগস্ট ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিল ২৭৫ কোটি, মে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

জনপ্রিয়

১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার 

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

প্রকাশিত ০৮:১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

দেশে চলতি (অক্টোবর) মাসের প্রথম সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) ৮ হাজার ৪৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সে হিসেবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স আসছে প্রায় ১০ কোটি ডলার। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অক্টোবরে সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৬৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৮২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছর (জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত) ৭২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছিল। অর্থবছর হিসাবে ১৪.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্যবিদায়ী সেপ্টেম্বরে ২.৬৮ বিলিয়ন (২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা আগের অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে।

গত অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা ছিল বছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার—আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাই ১৯১.৩৭ কোটি ডলার, আগস্ট ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিল ২৭৫ কোটি, মে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।