ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দেশকে গড়ে তুলতে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু Logo হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৪১৯ হাজি Logo চাঁদাবাজি ও আপত্তিকর ভিডিও: মির্জাগঞ্জ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত Logo ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লেন মেসি, বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে শঙ্কা Logo কুবি শিক্ষক অপহরণ মামলায় গ্রেফতার এক, গাড়ি জব্দ Logo ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শিক্ষার্থীদের পাশে নোবিপ্রবি ছাত্রশিবির Logo ছাত্রদল নেতার সকালে পদত্যাগ করে পোস্ট, রাতে জানালেন আইডি হ্যাক ছিলো Logo রাবিস্থ খুলনা জেলা সমিতির নেতৃত্বে ফয়সাল ও মেহেদী Logo সাঁতারে খুলনা এবং অ্যাথলেটিকসে চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগ চ্যাম্পিয়ন ঢাকা

আরও ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ধারাবাহিকভাবে ডলার কেনার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ শক্তিশালী থাকায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে গেছে, যার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবারও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ১০টি ব্যাংক থেকে মোট ১০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার (১০৪ মিলিয়ন ডলার) কেনা হয়েছে। এসময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২১.৮০ টাকার মধ্যে, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

এর আগে সোমবার (৬ অক্টোবর) ৮টি ব্যাংক থেকে মোট ১০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার (১০৪ মিলিয়ন ডলার) কেনা হয়েছে। এসময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২১.৭৮ থেকে ১২১.৮০ টাকা।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে মোট ২০৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে। ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এখন পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আজ মাল্টিপল প্রাইস অকশনের মাধ্যমে ১০ ব্যাংক থেকে ১০৭ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। এসময় ডলারের দর নির্ধারণ হয় প্রতি ডলারে ১২১ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ২০৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে।

একটি শীর্ষ বেসরকারি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেন, শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রপ্তানি আয়ের কারণে ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিনের আমদানি দায়, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির বিল পরিশোধ করতে পেরেছে। এসব দায় শোধ হয়ে যাওয়া এবং আমদানি চাপ কমে আসায় বর্তমানে বাজারে ডলারের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে বিনিময় হার ক্রমেই নিচের দিকে নেমে আসছে।

জনপ্রিয়

দেশকে গড়ে তুলতে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

আরও ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত ০৪:৪২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ধারাবাহিকভাবে ডলার কেনার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ শক্তিশালী থাকায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে গেছে, যার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবারও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ১০টি ব্যাংক থেকে মোট ১০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার (১০৪ মিলিয়ন ডলার) কেনা হয়েছে। এসময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২১.৮০ টাকার মধ্যে, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

এর আগে সোমবার (৬ অক্টোবর) ৮টি ব্যাংক থেকে মোট ১০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার (১০৪ মিলিয়ন ডলার) কেনা হয়েছে। এসময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২১.৭৮ থেকে ১২১.৮০ টাকা।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে মোট ২০৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে। ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এখন পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আজ মাল্টিপল প্রাইস অকশনের মাধ্যমে ১০ ব্যাংক থেকে ১০৭ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। এসময় ডলারের দর নির্ধারণ হয় প্রতি ডলারে ১২১ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ২০৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে।

একটি শীর্ষ বেসরকারি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেন, শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রপ্তানি আয়ের কারণে ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিনের আমদানি দায়, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির বিল পরিশোধ করতে পেরেছে। এসব দায় শোধ হয়ে যাওয়া এবং আমদানি চাপ কমে আসায় বর্তমানে বাজারে ডলারের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে বিনিময় হার ক্রমেই নিচের দিকে নেমে আসছে।