ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নাশরা নাঈম: আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি Logo যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে একদিনেই উধাও কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার Logo শিল্পকলায় চিত্র প্রদর্শনী ‘শিল্প অভিব্যক্তির সুষমা’ Logo ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo অন্তর্দ্বন্দ্বের নাটক ‘তুমি যাকে ভালোবাসো’ Logo প্রেসিডেন্টের ফোনে আড়িপাতা: ইন্দোনেশিয়ায় চিফ অব স্টাফ গ্রেপ্তার, রাষ্ট্রদ্রোহের তদন্ত Logo টেইলরের পর বেনেটের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের রান-পাহাড় Logo ‘জলদস্যু হয়ে’ ফের পর্দায় ফিরতে চান জনি ডেপ Logo বারিধারায় বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন Logo সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ

প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাকেবি) অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে দেশের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন। পৃথক পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনগুলো সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে দ্রুত সংকট নিরসনের আহ্বান জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত অধ্যাদেশ জারির দাবি জানিয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্য ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটানো। সংগঠনটির নেতারা বলেন, এই সংকট কেবল প্রশাসনিক নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মর্যাদা ও ভবিষ্যতের প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। দ্রুত রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রদর্শনের মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

এসময় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ এক বিবৃতিতে জানায়, দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। অবিলম্বে ঢাকেবির অধ্যাদেশ জারি করে একটি কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

জাতীয় ছাত্রশক্তি তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে, ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরব প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অধ্যাদেশ ও একাডেমিক কাঠামো চূড়ান্ত না হওয়া চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন,পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকেও সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। সংগঠনটি বলছে, দীর্ঘসূত্রতা ও গড়িমসির কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে, যা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ছাত্র সংগঠনগুলো একমত পোষণ করে জানায়, ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দ্রুত জারি, প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাঠামো চূড়ান্তকরণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় চলমান সংকট আরও ঘনীভূত হবে, যার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলে তারা সতর্ক করে।

জনপ্রিয়

নাশরা নাঈম: আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি

ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ

প্রকাশিত ১০:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাকেবি) অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে দেশের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন। পৃথক পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনগুলো সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে দ্রুত সংকট নিরসনের আহ্বান জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত অধ্যাদেশ জারির দাবি জানিয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্য ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটানো। সংগঠনটির নেতারা বলেন, এই সংকট কেবল প্রশাসনিক নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মর্যাদা ও ভবিষ্যতের প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। দ্রুত রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রদর্শনের মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

এসময় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ এক বিবৃতিতে জানায়, দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। অবিলম্বে ঢাকেবির অধ্যাদেশ জারি করে একটি কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

জাতীয় ছাত্রশক্তি তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে, ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরব প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অধ্যাদেশ ও একাডেমিক কাঠামো চূড়ান্ত না হওয়া চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন,পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকেও সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। সংগঠনটি বলছে, দীর্ঘসূত্রতা ও গড়িমসির কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে, যা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ছাত্র সংগঠনগুলো একমত পোষণ করে জানায়, ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দ্রুত জারি, প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাঠামো চূড়ান্তকরণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় চলমান সংকট আরও ঘনীভূত হবে, যার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলে তারা সতর্ক করে।