ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন: আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ Logo ছয় মাসেই সব কাজ শেষ হয়ে যায় না: পানিসম্পদমন্ত্রী Logo কুড়িগ্রামে র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ কারবারি গ্রেফতার Logo জনগণের সঙ্গে বেঈমানী ক‌রে শেখ হা‌সিনা টিকতে পারে‌নি: মামুনুল হক Logo যশোর সীমান্তে বিপুল চোরাচালান পণ্য জব্দ করলো বিজিবি Logo সনাতনীদের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা: অর্থমন্ত্রী Logo স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর নিজেও ফাঁস নিলেন স্বামী Logo ডেঙ্গুতে বরগুনার এমপির শাশুড়ি মারা গেছেন Logo কুষ্টিয়ায় মসজিদের নামকরণ নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষ Logo সেই কলেজশিক্ষকের বেতন বন্ধ, অধ্যক্ষকে বরখাস্তের সুপারিশ

টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভোরের আলো ফোটার আগেই যেন দায়িত্বের ভার কাঁধে তুলে নেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। আর রাত গভীর হলেও থেমে থাকে না তাঁর কর্মযজ্ঞ। দেশের মানুষের জন্য নিরলস এই পরিশ্রমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি—টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা অফিস করেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।

সকাল ঠিক ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কাজ শুরু করেন তিনি। নিজ দপ্তরে এসেই একের পর এক ফাইল নিষ্পত্তি, বৈঠক ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ছিল তাঁর তীক্ষ্ণ মনোযোগ ও দৃঢ়তা। সময় যেন তাঁর কাছে শুধুই দায়িত্ব পালনের একটি মাধ্যম; সেখানে ক্লান্তির কোনো স্থান নেই। দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে নিতে বিকেল গড়িয়ে যায়, কিন্তু তাঁর কর্মস্পৃহা বিন্দুমাত্র কমে না।

এরপর সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মযজ্ঞ শেষ করে বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি যোগ দেন সংসদ অধিবেশনে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, নীতি নির্ধারণ এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে রাত ৮টা পর্যন্ত সংসদে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি একজন রাষ্ট্রনায়কের দায়বদ্ধতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

এরপরও শেষ হয়নি দিনের কর্মসূচি। রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে শুরু হয় মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে দীর্ঘ আলোচনা হয়। অবশেষে রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর বৈঠক শেষ হয়। এরপর আবার সংসদ সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা অফিস করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা অফিস করা তাঁর জন্য প্রায় নিয়মিত রুটিন হলেও আজ তা প্রায় ১৬ ঘণ্টায় পৌঁছেছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, “এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি দেশবাসীর জন্য একটি বার্তা। যখন অনেকেই দিনের শেষে বিশ্রামে যান, তখনও একজন নেতা জেগে থাকেন দেশের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য।”

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি এবং দায়িত্বের প্রতি এক অটল অঙ্গীকারের প্রতীক। প্রধানমন্ত্রীর এই নিরলস পরিশ্রম নতুন করে মনে করিয়ে দেয়—নেতৃত্ব শুধু ক্ষমতার আসনে বসা নয়; বরং প্রতিটি মুহূর্তে জাতির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার নামই প্রকৃত নেতৃত্ব।

জনপ্রিয়

প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন: আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত ০১:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

ভোরের আলো ফোটার আগেই যেন দায়িত্বের ভার কাঁধে তুলে নেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। আর রাত গভীর হলেও থেমে থাকে না তাঁর কর্মযজ্ঞ। দেশের মানুষের জন্য নিরলস এই পরিশ্রমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি—টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা অফিস করেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।

সকাল ঠিক ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কাজ শুরু করেন তিনি। নিজ দপ্তরে এসেই একের পর এক ফাইল নিষ্পত্তি, বৈঠক ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ছিল তাঁর তীক্ষ্ণ মনোযোগ ও দৃঢ়তা। সময় যেন তাঁর কাছে শুধুই দায়িত্ব পালনের একটি মাধ্যম; সেখানে ক্লান্তির কোনো স্থান নেই। দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে নিতে বিকেল গড়িয়ে যায়, কিন্তু তাঁর কর্মস্পৃহা বিন্দুমাত্র কমে না।

এরপর সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মযজ্ঞ শেষ করে বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি যোগ দেন সংসদ অধিবেশনে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, নীতি নির্ধারণ এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে রাত ৮টা পর্যন্ত সংসদে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি একজন রাষ্ট্রনায়কের দায়বদ্ধতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

এরপরও শেষ হয়নি দিনের কর্মসূচি। রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে শুরু হয় মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে দীর্ঘ আলোচনা হয়। অবশেষে রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর বৈঠক শেষ হয়। এরপর আবার সংসদ সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা অফিস করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা অফিস করা তাঁর জন্য প্রায় নিয়মিত রুটিন হলেও আজ তা প্রায় ১৬ ঘণ্টায় পৌঁছেছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, “এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি দেশবাসীর জন্য একটি বার্তা। যখন অনেকেই দিনের শেষে বিশ্রামে যান, তখনও একজন নেতা জেগে থাকেন দেশের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য।”

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি এবং দায়িত্বের প্রতি এক অটল অঙ্গীকারের প্রতীক। প্রধানমন্ত্রীর এই নিরলস পরিশ্রম নতুন করে মনে করিয়ে দেয়—নেতৃত্ব শুধু ক্ষমতার আসনে বসা নয়; বরং প্রতিটি মুহূর্তে জাতির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার নামই প্রকৃত নেতৃত্ব।