ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অধ্যাপক ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটির আয়কর মামলা ঘিরে এপর্যন্ত যা যা ঘটেছে

অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে আয়কর বাবদ প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকা পাওনা দাবি করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর। প্রতিষ্ঠানটির বিগত কয়েক বছরের আয় ও আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনা করে রাজস্ব কর্তৃপক্ষ এই বিশাল অঙ্কের কর নির্ধারণ করেছিল। দীর্ঘ দিন ধরেই গ্রামীণ কল্যাণের এই ট্যাক্স দাবিকে কেন্দ্র করে আইনি ও প্রশাসনিক অঙ্গনে নানামুখী আলোচনা চলতে থাকে।

রাজস্ব বোর্ডের এই দাবির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল গ্রামীণ কল্যাণ কর্তৃপক্ষ। তাদের যুক্তি ছিল, প্রতিষ্ঠানটি জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বড় অংকের কর মওকুফ পাওয়ার কথা। কিন্তু রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে বারবার কর পরিশোধের তাগিদ দেওয়া হলে উভয় পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে।

পরিস্থিতি এক পর্যায়ে জটিল আকার ধারণ করলে গ্রামীণ কল্যাণ কর্তৃপক্ষ আইনি লড়াইয়ের পথ বেছে নেয়। এর অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে এনবিআরের দাবির বিরুদ্ধে আলাদা দুটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। আদালত রিটগুলো আমলে নিয়ে কর দাবির ওপর প্রয়োজনীয় আইনি পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি করে দেয়।

পরবর্তীতে এই কর মামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আইনজীবীরা নিজ নিজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে চলেছেন। দেশের অর্থনৈতিক ও কর ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উভয় পক্ষই আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে এই জটিল কর বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

জনপ্রিয়

সীমান্তে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশিদের ৪টি নৌকা নিয়ে গেছে বিএসএফ

অধ্যাপক ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটির আয়কর মামলা ঘিরে এপর্যন্ত যা যা ঘটেছে

প্রকাশিত ০১:০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে আয়কর বাবদ প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকা পাওনা দাবি করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর। প্রতিষ্ঠানটির বিগত কয়েক বছরের আয় ও আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনা করে রাজস্ব কর্তৃপক্ষ এই বিশাল অঙ্কের কর নির্ধারণ করেছিল। দীর্ঘ দিন ধরেই গ্রামীণ কল্যাণের এই ট্যাক্স দাবিকে কেন্দ্র করে আইনি ও প্রশাসনিক অঙ্গনে নানামুখী আলোচনা চলতে থাকে।

রাজস্ব বোর্ডের এই দাবির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল গ্রামীণ কল্যাণ কর্তৃপক্ষ। তাদের যুক্তি ছিল, প্রতিষ্ঠানটি জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বড় অংকের কর মওকুফ পাওয়ার কথা। কিন্তু রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে বারবার কর পরিশোধের তাগিদ দেওয়া হলে উভয় পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে।

পরিস্থিতি এক পর্যায়ে জটিল আকার ধারণ করলে গ্রামীণ কল্যাণ কর্তৃপক্ষ আইনি লড়াইয়ের পথ বেছে নেয়। এর অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে এনবিআরের দাবির বিরুদ্ধে আলাদা দুটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। আদালত রিটগুলো আমলে নিয়ে কর দাবির ওপর প্রয়োজনীয় আইনি পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি করে দেয়।

পরবর্তীতে এই কর মামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আইনজীবীরা নিজ নিজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে চলেছেন। দেশের অর্থনৈতিক ও কর ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উভয় পক্ষই আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে এই জটিল কর বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।