ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

দেশে শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে সম্প্রতি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনাগুলো শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার দুর্বলতা এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে নিয়ে আসছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ এবং এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো অবহেলা করলে তা পরবর্তীতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশু রোগীদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন, সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি এবং সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ দিয়ে এই রোগের সূচনা হয়। অনেক সময় অভিভাবকেরা সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে এই লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব দেন না, যা পরবর্তীতে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা শিশুদের সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত সময়ে সমস্ত টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন করার ওপর বিশেষভাবে জোর দিচ্ছেন। তাদের মতে, হামের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা গ্রহণের মাধ্যমেই কেবল এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়া, কোনো শিশুর মধ্যে এই রোগের উপসর্গ দেখা মাত্রই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ অনুযায়ী ঘরে বা হাসপাতালে চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের প্রতিটি প্রান্তে হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে, প্রান্তিক পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন তারা যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিত করা যায়। অভিভাবকদের সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণই পারে শিশুদের এই মারাত্মক সংক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে।

জনপ্রিয়

অনলাইন প্রতারণায় জড়িত ৬৩ বিদেশি গ্রেপ্তার, বিপুল ডিভাইস জব্দ

হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত ০৭:০১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে সম্প্রতি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনাগুলো শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার দুর্বলতা এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে নিয়ে আসছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ এবং এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো অবহেলা করলে তা পরবর্তীতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশু রোগীদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন, সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি এবং সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ দিয়ে এই রোগের সূচনা হয়। অনেক সময় অভিভাবকেরা সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে এই লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব দেন না, যা পরবর্তীতে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা শিশুদের সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত সময়ে সমস্ত টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন করার ওপর বিশেষভাবে জোর দিচ্ছেন। তাদের মতে, হামের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা গ্রহণের মাধ্যমেই কেবল এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়া, কোনো শিশুর মধ্যে এই রোগের উপসর্গ দেখা মাত্রই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ অনুযায়ী ঘরে বা হাসপাতালে চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের প্রতিটি প্রান্তে হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে, প্রান্তিক পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন তারা যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিত করা যায়। অভিভাবকদের সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণই পারে শিশুদের এই মারাত্মক সংক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে।