দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নতুন জনবল নিয়োগের জন্য আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ১০৬তম ব্যাচে ‘সিপাহী (জিডি)’ পদে তরুণ ও যোগ্য প্রার্থীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। দেশের নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীরাই এই সুবর্ণ সুযোগ গ্রহণ করে বিজিবিতে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কাঙ্ক্ষিত এই পজিশনে চাকরিপ্রার্থীরা দেশের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব পালনের মানসিকতা নিয়ে আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাগত ও শারীরিক যোগ্যতা থাকতে হবে। আবেদনকারীকে ন্যূনতম উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান (এইচএসসি) পাস হতে হবে। এছাড়া আগামী ২০২৭ সালের ১১ জানুয়ারি তারিখ অনুযায়ী প্রার্থীর বয়স অবশ্যই ১৮ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না। পুরুষ ও নারী উভয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রেই উচ্চতা, ওজন এবং বুকের মাপের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উভয়ের দৃষ্টিশক্তি ৬/৬ হতে হবে এবং সাঁতার জানার আবশ্যিক শর্তের পাশাপাশি প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট একটি সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। সম্প্রতি প্রকাশিত শিডিউল অনুযায়ী, প্রার্থীরা নির্দিষ্ট একটি সেপ্টেম্বর মাস থেকে অনলাইনে আবেদন করা শুরু করতে পারবেন এবং একই মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। আবেদন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রার্থীদের বিজিবির নির্দিষ্ট ই-রিক্রুটমেন্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মোট ছয়টি ধাপে ফরম পূরণ করতে হবে। এই ধাপে নির্ধারিত ব্যাংকিং কার্ড অথবা মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে মাত্র ছাপান্ন টাকা আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যোগ্য প্রার্থীদের পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরবর্তীতে এসএমএসের মাধ্যমে যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। তাই আবেদনকারীদের তাদের মোবাইল নম্বর সচল রাখার পাশাপাশি নির্দেশনাগুলো সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী এই বাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে বেকার যুবকদের জন্য এটি একটি বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। যারা দেশের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে আগ্রহী, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ প্রস্তুতি নেওয়ার সময়।




































