নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে এবং বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে জড়ো করছে, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র নেতারা। সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতা রুহুল কবির রিজভী এই প্রসঙ্গে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, সাধারণ মানুষের রক্তের দাগ না শুকাতেই ফ্যাসিবাদের দোসররা নানা কৌশলে ফের দৃশ্যমান হওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এই ধরনের গোপন তৎপরতা ও প্রকাশ্যে জমায়েত হওয়ার চেষ্টার পেছনে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। রিজভী জানতে চেয়েছেন যে, দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরা যখন সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে, তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কেন যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তাদের এমন নীরবতা বা নিষ্ক্রিয়তা জনমনে নানান প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে বলে তিনি জোরালো মন্তব্য করেন।
বক্তব্যে তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, দীর্ঘ আন্দোলন ও রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। কিন্তু দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরাজিত শক্তি ও তাদের সহযোগীরা এখনো নানামুখী ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এই বিষয়ে আরও কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে এসব চক্রান্তকারীদের যেকোনো মূল্যে দমন করতে হবে।
সবশেষে, দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বিএনপির এই নেতা দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে কোনো মূল্যে জনগণের অর্জিত বিজয় রক্ষা করতে হবে এবং স্বৈরাচারের দোসরদের যেকোনো চক্রান্ত ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে।




































