ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যের নাম আনেস আলী, যিনি সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি এই ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষের মাঝে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং পুলিশের দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।

ভিডিওটি এবং এসংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। এর অংশ হিসেবে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে অভিযুক্ত এএসআই আনেস আলীকে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে তাৎক্ষণিকভাবে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন গণমাধ্যমকে এই প্রত্যাহারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।

প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু অনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, বরং এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও কিছু গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, তিনি বিভিন্ন মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত অনৈতিক সুবিধা নিতেন এবং আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার না করে ছেড়ে দিতেন। এসব অভিযোগ ওঠার পর তার কর্মকাণ্ড নিয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ মহলেও প্রশ্ন দেখা দেয়।

এ বিষয়ে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষা করার স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ অত্যন্ত কঠোর ও দ্রুততম সময়ে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ভিডিও ক্লিপটি প্রকাশ্যে আসার পর পরই তাকে ফাঁড়ি থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগের বিষয়েও যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড

প্রকাশিত ১১:৪৬:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যের নাম আনেস আলী, যিনি সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি এই ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষের মাঝে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং পুলিশের দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।

ভিডিওটি এবং এসংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। এর অংশ হিসেবে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে অভিযুক্ত এএসআই আনেস আলীকে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে তাৎক্ষণিকভাবে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন গণমাধ্যমকে এই প্রত্যাহারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।

প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু অনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, বরং এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও কিছু গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, তিনি বিভিন্ন মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত অনৈতিক সুবিধা নিতেন এবং আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার না করে ছেড়ে দিতেন। এসব অভিযোগ ওঠার পর তার কর্মকাণ্ড নিয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ মহলেও প্রশ্ন দেখা দেয়।

এ বিষয়ে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষা করার স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ অত্যন্ত কঠোর ও দ্রুততম সময়ে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ভিডিও ক্লিপটি প্রকাশ্যে আসার পর পরই তাকে ফাঁড়ি থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগের বিষয়েও যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।