ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৫ গোলের থ্রিলারে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের নাটকীয় জয়

স্প্যানিশ লা লিগায় রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এলচের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমার্ধে আধিপত্য দেখালেও দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল লস ব্লাঙ্কোসরা। তবে ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন কার্লোস এসপি। এই রোমাঞ্চকর জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল জায়ান্ট ক্লাবটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে রিয়াল মাদ্রিদ প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে। খেলার ২৫তম মিনিটে এলচের আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোর আত্মঘাতী গোলে প্রথমবার এগিয়ে যায় সফরকারীরা। এর মাত্র আট মিনিট পর ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে দারুণ এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। চলতি লিগে এটি তার সপ্তম গোল ছিল, যা রিয়ালের আক্রমণভাগের শক্তিকেই নতুন করে প্রমাণ করে।

তবে বিরতির পর খেলার চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং স্বাগতিক এলচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। ম্যাচের ৭১ মিনিটে আবিয়েল ওসোরিও গোল করে ব্যবধান কমালে ম্যাচে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এরপর খেলার ৮৩ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা ফের নিনিও চমৎকার এক গোল করে এলচেকে সমতায় ফেরান। হঠাৎ এই দুই গোল হজম করার পর বড় ধরনের পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল কার্লোস আনচেলত্তির শিষ্যরা।

এমন কঠিন পরিস্থিতিতে রিয়ালের ত্রাতা হয়ে আসেন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা ফরোয়ার্ড কার্লোস এসপি। ম্যাচের যোগ করা সময়ে দুর্দান্ত এক গোল করে তিনি দলকে ৩-২ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় এনে দেন। চলতি মৌসুমে এটি এসপির দ্বিতীয় ঘটনা, যেখানে তিনি বেঞ্চ থেকে নেমে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোল করলেন। এর আগে লিগ অভিষেকে এস্পানিওলের বিপক্ষেও ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন এই তরুণ।

এই জয়ের সুবাদে লা লিগায় নিজেদের পারফরম্যান্সের ধারা বজায় রাখল রিয়াল মাদ্রিদ। সদ্য সমাপ্ত ছয়টি ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের পঞ্চম জয়। এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ের ফলে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তারা টেবিলের শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার ঠিক সমান্তরালে অবস্থান করছে। মৌসুমের শুরুতে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জয়গুলো দলের শিরোপা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

৫ গোলের থ্রিলারে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের নাটকীয় জয়

প্রকাশিত ০৮:৪৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্প্যানিশ লা লিগায় রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এলচের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমার্ধে আধিপত্য দেখালেও দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল লস ব্লাঙ্কোসরা। তবে ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন কার্লোস এসপি। এই রোমাঞ্চকর জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল জায়ান্ট ক্লাবটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে রিয়াল মাদ্রিদ প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে। খেলার ২৫তম মিনিটে এলচের আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোর আত্মঘাতী গোলে প্রথমবার এগিয়ে যায় সফরকারীরা। এর মাত্র আট মিনিট পর ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে দারুণ এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। চলতি লিগে এটি তার সপ্তম গোল ছিল, যা রিয়ালের আক্রমণভাগের শক্তিকেই নতুন করে প্রমাণ করে।

তবে বিরতির পর খেলার চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং স্বাগতিক এলচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। ম্যাচের ৭১ মিনিটে আবিয়েল ওসোরিও গোল করে ব্যবধান কমালে ম্যাচে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এরপর খেলার ৮৩ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা ফের নিনিও চমৎকার এক গোল করে এলচেকে সমতায় ফেরান। হঠাৎ এই দুই গোল হজম করার পর বড় ধরনের পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল কার্লোস আনচেলত্তির শিষ্যরা।

এমন কঠিন পরিস্থিতিতে রিয়ালের ত্রাতা হয়ে আসেন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা ফরোয়ার্ড কার্লোস এসপি। ম্যাচের যোগ করা সময়ে দুর্দান্ত এক গোল করে তিনি দলকে ৩-২ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় এনে দেন। চলতি মৌসুমে এটি এসপির দ্বিতীয় ঘটনা, যেখানে তিনি বেঞ্চ থেকে নেমে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোল করলেন। এর আগে লিগ অভিষেকে এস্পানিওলের বিপক্ষেও ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন এই তরুণ।

এই জয়ের সুবাদে লা লিগায় নিজেদের পারফরম্যান্সের ধারা বজায় রাখল রিয়াল মাদ্রিদ। সদ্য সমাপ্ত ছয়টি ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের পঞ্চম জয়। এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ের ফলে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তারা টেবিলের শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার ঠিক সমান্তরালে অবস্থান করছে। মৌসুমের শুরুতে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জয়গুলো দলের শিরোপা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।