ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অস্ত্রের তথ্য দিন, আইনি জটিলতা ছাড়াই পুরস্কার: এসআরবি Logo মমেক হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আরো ২ জনের মৃত্যু Logo অযত্ন-অব‌হেলায় ধুঁক‌ছে শৈলজারঞ্জন মজুমদার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র Logo বর্ষায় প্রাণ, বাকি আট মাসে দূষণের বিষে বুড়িগঙ্গা Logo শিক্ষা মেলায় সাদিকার হাতে ছোট্ট সৌরজগত Logo ইসরাইলি সৈন্যের কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনী পেরিয়ে হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর রওজা জিয়ারত Logo জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প বন্ধে মোংলায় মানববন্ধন Logo ১১ দলের রংপুর লংমার্চে যুক্ত হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনার দাবি Logo বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল: টুকু Logo গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী

জলবায়ু দুর্যোগ তহবিলের অর্থের জন্য নেপাল বন্যা নিয়ে নতুন সমীক্ষা জমা দেবে

সম্প্রতি সংঘটিত প্রাণঘাতী বন্যার পেছনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট প্রভাব রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি নতুন বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা পরিচালনা করেছে নেপাল। গত কয়েক সপ্তাহ আগে দেশটিতে আঘাত হানা ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, যা জনজীবনকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। মূলত এই দুর্যোগের পেছনের জলবায়ুগত কারণগুলো বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে জোরালোভাবে তুলে ধরার জন্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিশেষ গবেষণাটি সম্পন্ন করেছে।

এই সমীক্ষার মূল ফলাফলগুলো ব্যবহার করে জাতিসংঘের বিশেষ জলবায়ু দুর্যোগ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তার আবেদন করার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে নেপালী কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি সূত্রে জানা গেছে যে, দেশটির নীতিনির্ধারকরা এই তহবিল প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে অনেকটাই এগিয়ে নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মারাত্মক দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জনের জন্য এই বৈদেশিক সহায়তার অত্যন্ত গুরুত্ব রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয়কন্যা নেপালে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবহাওয়ার চরমভাবাপন্ন আচরণ এবং অস্বাভাবিক বৃষ্টির প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আকস্মিক বন্যা ও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপরও দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নতুন এই সমীক্ষায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে হিমবাহ গলা এবং আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনের বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট ও নির্ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট তহবিলগুলোর নিয়মকানুন ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই নতুন গবেষণা প্রতিবেদনটি একটি জোরালো দলিল হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন দেশটির প্রতিনিধিরা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নিজেদের দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে এবং দ্রুত ফান্ড ছাড় করাতে এই বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন। সরকারের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে যে, এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের প্রান্তিক ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনপদগুলোকে রক্ষা করার কাজ অনেক সহজ হবে।

জনপ্রিয়

অস্ত্রের তথ্য দিন, আইনি জটিলতা ছাড়াই পুরস্কার: এসআরবি

জলবায়ু দুর্যোগ তহবিলের অর্থের জন্য নেপাল বন্যা নিয়ে নতুন সমীক্ষা জমা দেবে

প্রকাশিত ০২:৪৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্প্রতি সংঘটিত প্রাণঘাতী বন্যার পেছনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট প্রভাব রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি নতুন বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা পরিচালনা করেছে নেপাল। গত কয়েক সপ্তাহ আগে দেশটিতে আঘাত হানা ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, যা জনজীবনকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। মূলত এই দুর্যোগের পেছনের জলবায়ুগত কারণগুলো বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে জোরালোভাবে তুলে ধরার জন্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিশেষ গবেষণাটি সম্পন্ন করেছে।

এই সমীক্ষার মূল ফলাফলগুলো ব্যবহার করে জাতিসংঘের বিশেষ জলবায়ু দুর্যোগ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তার আবেদন করার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে নেপালী কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি সূত্রে জানা গেছে যে, দেশটির নীতিনির্ধারকরা এই তহবিল প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে অনেকটাই এগিয়ে নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মারাত্মক দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জনের জন্য এই বৈদেশিক সহায়তার অত্যন্ত গুরুত্ব রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয়কন্যা নেপালে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবহাওয়ার চরমভাবাপন্ন আচরণ এবং অস্বাভাবিক বৃষ্টির প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আকস্মিক বন্যা ও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপরও দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নতুন এই সমীক্ষায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে হিমবাহ গলা এবং আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনের বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট ও নির্ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট তহবিলগুলোর নিয়মকানুন ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই নতুন গবেষণা প্রতিবেদনটি একটি জোরালো দলিল হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন দেশটির প্রতিনিধিরা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নিজেদের দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে এবং দ্রুত ফান্ড ছাড় করাতে এই বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন। সরকারের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে যে, এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের প্রান্তিক ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনপদগুলোকে রক্ষা করার কাজ অনেক সহজ হবে।