ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসার পর তাকে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা। বিমানবন্দরে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সফরকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কানেক্টিভিটি বৃদ্ধি, এবং জলবিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও উভয় পক্ষ মতবিনিময় করবে।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি দেশের মধ্যে ঐতিহাসিককাল থেকেই চমৎকার কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রয়েছে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর এই বাংলাদেশ সফর সমাপ্তির পর দুই দেশের যৌথ ইশতেহার বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর মাধ্যমে উভয় দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার চিত্রনায়ক পলাশ, অনিশ্চয়তায় ‘শিকার’

ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৩:০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসার পর তাকে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা। বিমানবন্দরে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সফরকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কানেক্টিভিটি বৃদ্ধি, এবং জলবিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও উভয় পক্ষ মতবিনিময় করবে।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি দেশের মধ্যে ঐতিহাসিককাল থেকেই চমৎকার কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রয়েছে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর এই বাংলাদেশ সফর সমাপ্তির পর দুই দেশের যৌথ ইশতেহার বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর মাধ্যমে উভয় দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।