ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ভাঙন ঠেকাতে ৩৮৫ কোটি টাকার বেড়িবাঁধ, হবে সড়কও Logo পরীক্ষায় এআই ব্যবহার করায় ঢাবির ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতার শাস্তি Logo জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘জেডএফসি ২: প্রাইড অব বাংলাদেশ’ Logo নিকলীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, উপভোগ করলেন হাজারো মানুষ Logo তারেকের সরকার বিএনপির নয়, এটা হাসিনার : অলি আহমদ Logo যাত্রী নিয়ে পুকুরে বাস, একজনের মরদেহ উদ্ধার Logo রাতেই দেশ ছাড়বে জামালরা, হামজা-ফারহানরা যোগ দিবেন ইন্দোনেশিয়ায় Logo ‘একই কায়দায়’ ফেলে রাখা ৯ নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘আতঙ্ক’ Logo সালমান ভাইয়াকে ছাড়া শুটিং করতে গিয়ে জ্ঞান হারাই: নাসরিন Logo তারেক রহমানকে নিজেকেই তার যাওয়ার রাস্তা বেছে নিতে হবে: নাহিদ

পরীক্ষায় এআই ব্যবহার করায় ঢাবির ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতার শাস্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দুই শিক্ষার্থী এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি পরীক্ষার সময় তারা অভিনব কায়দায় এআই ব্যবহারের মাধ্যমে নকল করার চেষ্টা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে তারা আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিলেও শেষ পর্যন্ত তা ধরা পড়ে যায়।

এই অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং অন্যজন হল সংসদের পদধারী নেতা। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং একই হলের কার্যনির্বাহী সদস্য। অন্যজন মাস্টারদা সূর্য সেন হল সংসদের সাবেক সদস্য এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী। ছাত্রসংগঠন ও হলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত পরীক্ষা বিধিমালা ও শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের এই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। তবে ঠিক কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে এ ধরনের অনিয়ম রোধে প্রশাসন সবসময়ই কঠোর নজরদারি বজায় রাখছে বলে জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অসদুপায় অবলম্বন ও প্রযুক্তির অপব্যবহার পুরো শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় হুমকি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের মতে, দায়িত্বশীল পদে থেকে যারা এমন অপরাধ করেন, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ভবিষ্যতে যাতে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে এ ধরনের অসদুপায় অবলম্বনের সাহস না পায়, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও বেশি সতর্ক ও জোরালো ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

ভাঙন ঠেকাতে ৩৮৫ কোটি টাকার বেড়িবাঁধ, হবে সড়কও

পরীক্ষায় এআই ব্যবহার করায় ঢাবির ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতার শাস্তি

প্রকাশিত ০১:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দুই শিক্ষার্থী এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি পরীক্ষার সময় তারা অভিনব কায়দায় এআই ব্যবহারের মাধ্যমে নকল করার চেষ্টা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে তারা আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিলেও শেষ পর্যন্ত তা ধরা পড়ে যায়।

এই অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং অন্যজন হল সংসদের পদধারী নেতা। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং একই হলের কার্যনির্বাহী সদস্য। অন্যজন মাস্টারদা সূর্য সেন হল সংসদের সাবেক সদস্য এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী। ছাত্রসংগঠন ও হলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত পরীক্ষা বিধিমালা ও শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের এই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। তবে ঠিক কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে এ ধরনের অনিয়ম রোধে প্রশাসন সবসময়ই কঠোর নজরদারি বজায় রাখছে বলে জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অসদুপায় অবলম্বন ও প্রযুক্তির অপব্যবহার পুরো শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় হুমকি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের মতে, দায়িত্বশীল পদে থেকে যারা এমন অপরাধ করেন, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ভবিষ্যতে যাতে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে এ ধরনের অসদুপায় অবলম্বনের সাহস না পায়, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও বেশি সতর্ক ও জোরালো ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।