ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এমবাপেকে সবদিক থেকে হারিয়েছি, তবে মেসি সবার চেয়ে এগিয়ে: ইয়ামাল Logo দ্বিতীয় লংমার্চ থেকে যেসব দাবিদাওয়া জানাল জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট Logo নাটোরে জমি নিয়ে বিরোধ, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০ Logo কুমিল্লায় অপ্রতীমের হত্যায় কিছু ক্লু পাওয়ার তথ্য পুলিশের, সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে Logo অপ্রতীম হত্যায় কিছু ক্লু পাওয়া গেছে: পুলিশ Logo বগুড়ায় ফিলিং স্টেশনের গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ, আহত ৫ Logo ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, আঘাত হানতে পারে যেসব অঞ্চলে Logo মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪ Logo চুরির অভিযোগে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীকে মারধর, হাসপাতালে মৃত্যু Logo কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

দ্বিতীয় লংমার্চ থেকে যেসব দাবিদাওয়া জানাল জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় অবিলম্বে কার্যকর করার জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। এই রায় বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে সম্প্রতি বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৬ আগস্ট রাজধানী ঢাকার মুক্তাঙ্গন চত্বরে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই আন্দোলনের পরবর্তী ধাপের পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান সেদিন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল সরকারের ওপর জনগণের ভোটাধিকার ও রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য চাপ সৃষ্টি করা।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, এই বিরোধী জোটটি কেবল রাজধানীতে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের বৃহত্তর অঞ্চলগুলোতেও তাদের আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের মোট চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহরে লংমার্চ ও বিশাল মহাসমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, এই ধরনের কঠোর ও ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের দাবি সরকারের উচ্চপর্যায়ে জোরালোভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। বিগত দিনগুলোতেও তারা একই দাবি নিয়ে বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন, যা পরবর্তীতে আরও বৃহত্তর রূপ লাভ করেছে।

জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করে, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন না করলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তাদের এই রাজনৈতিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের লংমার্চ এবং মহাসমাবেশগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা মাঠপর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করেছেন। সাধারণ নাগরিকদের অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর এই দ্বিতীয় দফার লংমার্চ কর্মসূচি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের রাজপথের কর্মসূচির বিরুদ্ধে কেমন প্রতিক্রিয়া আসে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে, সেদিকে এখন রাজনৈতিক মহলের বিশেষ নজর রয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির কথা বলা হলেও মাঠের রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আসন্ন বিভাগীয় মহাসমাবেশগুলোকে কেন্দ্র করে বিরোধী জোট তাদের শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে সরকারকে একটি শক্ত বার্তা দিতে চাইছে।

জনপ্রিয়

এমবাপেকে সবদিক থেকে হারিয়েছি, তবে মেসি সবার চেয়ে এগিয়ে: ইয়ামাল

দ্বিতীয় লংমার্চ থেকে যেসব দাবিদাওয়া জানাল জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট

প্রকাশিত ০৬:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় অবিলম্বে কার্যকর করার জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। এই রায় বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে সম্প্রতি বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৬ আগস্ট রাজধানী ঢাকার মুক্তাঙ্গন চত্বরে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই আন্দোলনের পরবর্তী ধাপের পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান সেদিন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল সরকারের ওপর জনগণের ভোটাধিকার ও রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য চাপ সৃষ্টি করা।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, এই বিরোধী জোটটি কেবল রাজধানীতে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের বৃহত্তর অঞ্চলগুলোতেও তাদের আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের মোট চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহরে লংমার্চ ও বিশাল মহাসমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, এই ধরনের কঠোর ও ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের দাবি সরকারের উচ্চপর্যায়ে জোরালোভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। বিগত দিনগুলোতেও তারা একই দাবি নিয়ে বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন, যা পরবর্তীতে আরও বৃহত্তর রূপ লাভ করেছে।

জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করে, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন না করলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তাদের এই রাজনৈতিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের লংমার্চ এবং মহাসমাবেশগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা মাঠপর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করেছেন। সাধারণ নাগরিকদের অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর এই দ্বিতীয় দফার লংমার্চ কর্মসূচি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের রাজপথের কর্মসূচির বিরুদ্ধে কেমন প্রতিক্রিয়া আসে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে, সেদিকে এখন রাজনৈতিক মহলের বিশেষ নজর রয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির কথা বলা হলেও মাঠের রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আসন্ন বিভাগীয় মহাসমাবেশগুলোকে কেন্দ্র করে বিরোধী জোট তাদের শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে সরকারকে একটি শক্ত বার্তা দিতে চাইছে।