ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন, ৪ ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানী ঢাকায় সম্প্রতি হঠাৎ করেই নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। বিভিন্ন এলাকায় দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ছে যাত্রীবাহী বাস এবং ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোয় নগরবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে অন্তত তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। চলন্ত বা দাঁড় করিয়ে রাখা যানে এ ধরনের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গাড়ির যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত নেমে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বেশ কয়েকটি বাস আংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি যাত্রাবাড়ী এলাকার মতো জনবহুল স্থানে পর পর চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হওয়া এসব ককটেলের কারণে আশপাশের পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মুহূর্তেই চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি শুরু করেন, যা ওই এলাকায় সাময়িকভাবে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি করে।

এ ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলগুলোতে ছুটে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জড়িত দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশি টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন, ৪ ককটেল বিস্ফোরণ

প্রকাশিত ১১:৩১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানী ঢাকায় সম্প্রতি হঠাৎ করেই নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। বিভিন্ন এলাকায় দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ছে যাত্রীবাহী বাস এবং ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোয় নগরবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে অন্তত তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। চলন্ত বা দাঁড় করিয়ে রাখা যানে এ ধরনের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গাড়ির যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত নেমে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বেশ কয়েকটি বাস আংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি যাত্রাবাড়ী এলাকার মতো জনবহুল স্থানে পর পর চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হওয়া এসব ককটেলের কারণে আশপাশের পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মুহূর্তেই চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি শুরু করেন, যা ওই এলাকায় সাময়িকভাবে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি করে।

এ ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলগুলোতে ছুটে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জড়িত দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশি টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।