ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পাঁচ দিনব্যাপী বিসিকি শরৎ মেলা শুরু ৭ অক্টোবর Logo সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল পারমাণবিক জ্বালানির চালান Logo হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু, সবাই ঢাকায় Logo গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন, ছাদে আটকা পড়েছে ৭০ জন শ্রমিক Logo একজন বাংলাদেশির শরীরে জীবন্ত প্রাণী প্রবেশ নিয়ে বিরল চিকিৎসাগত অনুসন্ধান Logo দত্তকের নামে ফেসবুকে শিশু কেনাবেচা, কীভাবে চলছে এই চক্র Logo ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট ‘কুঠার’ দিয়ে প্রধান পাইলটকে আঘাত করেন: আরব আমিরাত Logo কোনো আশা নেই, তবুও কেন মানুষ সম্পর্কে দিনের পর দিন থেকে যায় Logo এনআইডি-পাসপোর্টের মতো অনলাইনে করতে হবে বিয়ের নিবন্ধন: আইনমন্ত্রী Logo জার্মানিতে পড়ার স্বপ্ন যাঁদের জেনে নিন আবেদন, ভিসা ও খরচের খুঁটিনাটি

হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু, সবাই ঢাকায়

দেশে হাম ও এর উপসর্গজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও আটজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। প্রাণ হারানো এই ব্যক্তিরা সবাই রাজধানীর বিভিন্ন চিকিৎসালয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টার এই সময়সীমায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হাম বিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে চলতি বছর পর্যন্ত সারা দেশে হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১২২ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে শুধু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২০ জন এবং পরীক্ষাগারে নিশ্চিত করা হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০২ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ১১৬ জন ব্যক্তির শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গত এপ্রিল মাস থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১ লাখ ৯৫ হাজার ২০০ জনে দাঁড়াল। একই সময়ে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন করে ৪৩ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে, যার ফলে মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৬৬৬ জনে উন্নীত হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হামের উপসর্গ ও সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগ। এই অঞ্চলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সিলেট বিভাগে ১৭৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ৯৩ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৮০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৬, বরিশালে ৬০, খুলনায় ৪৪ এবং রংপুর বিভাগে ১৫ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

জনপ্রিয়

পাঁচ দিনব্যাপী বিসিকি শরৎ মেলা শুরু ৭ অক্টোবর

হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু, সবাই ঢাকায়

প্রকাশিত ০৫:০০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

দেশে হাম ও এর উপসর্গজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও আটজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। প্রাণ হারানো এই ব্যক্তিরা সবাই রাজধানীর বিভিন্ন চিকিৎসালয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টার এই সময়সীমায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হাম বিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে চলতি বছর পর্যন্ত সারা দেশে হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১২২ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে শুধু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২০ জন এবং পরীক্ষাগারে নিশ্চিত করা হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০২ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ১১৬ জন ব্যক্তির শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গত এপ্রিল মাস থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১ লাখ ৯৫ হাজার ২০০ জনে দাঁড়াল। একই সময়ে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন করে ৪৩ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে, যার ফলে মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৬৬৬ জনে উন্নীত হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হামের উপসর্গ ও সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগ। এই অঞ্চলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সিলেট বিভাগে ১৭৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ৯৩ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৮০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৬, বরিশালে ৬০, খুলনায় ৪৪ এবং রংপুর বিভাগে ১৫ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।