ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আর আবেদন নয়, চূড়ান্ত যাচাইয়ে বাদ পড়বেন অ-মুক্তিযোদ্ধারা Logo প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি Logo সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ‘পতিত দোসরদের’ নাশকতার চেষ্টা: রিজভী Logo কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোক্তা মেলা Logo পাবিপ্রবির সেন্ট্রাল ক্যাফেটারিয়ার খাবারে মিলল কেড়া পোকা, ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন গোবিপ্রবির ১০ শিক্ষার্থী  Logo লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি Logo ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ৮ শিক্ষার্থী Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন পাবিপ্রবির ১১ শিক্ষার্থী ‎ Logo নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ, স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের

কিয়েভে জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের পরপরই গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে রাশিয়ার হামলা

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের ঠিক পরপরই তীব্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। কিয়েভে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শহরজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে, যা পুরো পরিস্থিতিকে চরম উত্তেজনাকর করে তোলে। রুশ বাহিনীর পক্ষ থেকে ড্রোন হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে এই আকস্মিক সফর করেন জার্মানির শীর্ষ এই নেতা। তবে চ্যান্সেলরের কিয়েভ পৌঁছানোর ঠিক আগ মুহূর্তে বা ঠিক পরপরই এমন হামলা বুঝিয়ে দেয় যে রাজধানী এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি এখনো কতটা প্রকট। কূটনৈতিক এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের সময় রুশ বাহিনীর এমন আক্রমণ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

এর আগেও বিদেশি শীর্ষ নেতারা কিয়েভ সফর করার সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ইউক্রেনের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কঠিন বাস্তবতাকে বারবার সামনে নিয়ে আসে। কিয়েভের প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিদেশি অতিথিদের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হলেও আকস্মিক এই ড্রোন হামলার কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। বিমান হামলার সতর্কতা জারি হওয়ার পর শহরের জনজীবন মুহূর্তের জন্য থমকে যায় এবং মানুষ ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে বাধ্য হয়।

এই হামলার ফলে কিয়েভের অবকাঠামো বা কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করে যে চলমান সংঘাতের মাঝেও ইউক্রেনের প্রধান কৌশলগত ও রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে যেকোনো সময় বড় ধরনের হামলা চালাতে পিছপা হচ্ছে না রুশ বাহিনী। কিয়েভ সফররত জার্মান চ্যান্সেলরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই পরিস্থিতি ইউক্রেনীয় ও জার্মান উভয় পক্ষের জন্যই বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

জনপ্রিয়

বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আর আবেদন নয়, চূড়ান্ত যাচাইয়ে বাদ পড়বেন অ-মুক্তিযোদ্ধারা

কিয়েভে জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের পরপরই গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে রাশিয়ার হামলা

প্রকাশিত ০৫:০০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের ঠিক পরপরই তীব্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। কিয়েভে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শহরজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে, যা পুরো পরিস্থিতিকে চরম উত্তেজনাকর করে তোলে। রুশ বাহিনীর পক্ষ থেকে ড্রোন হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে এই আকস্মিক সফর করেন জার্মানির শীর্ষ এই নেতা। তবে চ্যান্সেলরের কিয়েভ পৌঁছানোর ঠিক আগ মুহূর্তে বা ঠিক পরপরই এমন হামলা বুঝিয়ে দেয় যে রাজধানী এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি এখনো কতটা প্রকট। কূটনৈতিক এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের সময় রুশ বাহিনীর এমন আক্রমণ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

এর আগেও বিদেশি শীর্ষ নেতারা কিয়েভ সফর করার সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ইউক্রেনের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কঠিন বাস্তবতাকে বারবার সামনে নিয়ে আসে। কিয়েভের প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিদেশি অতিথিদের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হলেও আকস্মিক এই ড্রোন হামলার কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। বিমান হামলার সতর্কতা জারি হওয়ার পর শহরের জনজীবন মুহূর্তের জন্য থমকে যায় এবং মানুষ ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে বাধ্য হয়।

এই হামলার ফলে কিয়েভের অবকাঠামো বা কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করে যে চলমান সংঘাতের মাঝেও ইউক্রেনের প্রধান কৌশলগত ও রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে যেকোনো সময় বড় ধরনের হামলা চালাতে পিছপা হচ্ছে না রুশ বাহিনী। কিয়েভ সফররত জার্মান চ্যান্সেলরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই পরিস্থিতি ইউক্রেনীয় ও জার্মান উভয় পক্ষের জন্যই বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।