ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo চরফ্যাশনে ৩৫ হাজার ৬৫৬ জেলের জন্য ৮৯১ টন চাল বরাদ্দ সরকারের Logo প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী করা হয়েছে গিয়াস উদ্দিনকে Logo ঢাকায় এক মঞ্চে দেশ-বিদেশের নগরপ্রধানেরা, আলোচনায় বাসযোগ্য শহর Logo অর্থনীতির গতি আরও কমেছে, পাঁচ কারণে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা Logo শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি ঠেকাতে বৈশ্বিক উদ্যোগের আহ্বান আইসিটি মন্ত্রীর Logo মাল্টা ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo সরকারি ব্যাংকের ১১ জিএমকে ডিএমডি পদে পদোন্নতি Logo বাংলাদেশের অর্থনীতির রিপোর্ট কার্ড: কোথায় স্বস্তি, কোথায় বড় বিপদ Logo পচা দাঁত থেকে ব্লুটুথ! জেনে নিন এর পেছনের হাজার বছরের পুরোনো গল্প Logo বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে সুপারিশ

মাল্টা ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক: আমদানি শুল্ক পরিশোধ করার পরও বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা চার থেকে পাঁচ শ টাকায় বিক্রি হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ী এবং আমদানিকারকদের নিয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।

বাণিজ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, আসন্ন পবিত্র রমজান মাস কিংবা অন্য কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে বা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের পাঁয়তারা চালালে সরকার তা কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। বাজারে কোনো পণ্যেরই সরবরাহ ঘাটতি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ এবং ভোজ্যতেলসহ সব ধরনের নিত্যপণ্যের মজুত রয়েছে। এ ছাড়া আমদানির আরও বেশ কিছু চালান বর্তমানে পাইপলাইনে রয়েছে, যা বাজারের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সারা বছর পণ্যের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে ভৌগোলিক সুবিধা বিবেচনা করে এলাকাভিত্তিক কৃষি উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কোন অঞ্চলে কোন সময়ে কী ধরনের ফসল ভালো জন্মাবে, তা সুনির্দিষ্ট করে পরিকল্পিত উপায়ে খাদ্য ও সবজি উৎপাদন করা গেলে বছরের বিভিন্ন সময়ে কৃত্রিম ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো সম্ভব হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

সভায় চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সভাপতিত্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, আমদানিকারক ও বাণিজ্য খাতের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম এ সালাম এবং কাস্টমস কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা। আলোচনা শেষে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও সরকারের নীতিমালার প্রতি সহযোগিতা প্রদর্শনের আশ্বাস দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

চরফ্যাশনে ৩৫ হাজার ৬৫৬ জেলের জন্য ৮৯১ টন চাল বরাদ্দ সরকারের

মাল্টা ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত ১১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: আমদানি শুল্ক পরিশোধ করার পরও বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা চার থেকে পাঁচ শ টাকায় বিক্রি হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ী এবং আমদানিকারকদের নিয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।

বাণিজ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, আসন্ন পবিত্র রমজান মাস কিংবা অন্য কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে বা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের পাঁয়তারা চালালে সরকার তা কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। বাজারে কোনো পণ্যেরই সরবরাহ ঘাটতি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ এবং ভোজ্যতেলসহ সব ধরনের নিত্যপণ্যের মজুত রয়েছে। এ ছাড়া আমদানির আরও বেশ কিছু চালান বর্তমানে পাইপলাইনে রয়েছে, যা বাজারের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সারা বছর পণ্যের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে ভৌগোলিক সুবিধা বিবেচনা করে এলাকাভিত্তিক কৃষি উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কোন অঞ্চলে কোন সময়ে কী ধরনের ফসল ভালো জন্মাবে, তা সুনির্দিষ্ট করে পরিকল্পিত উপায়ে খাদ্য ও সবজি উৎপাদন করা গেলে বছরের বিভিন্ন সময়ে কৃত্রিম ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো সম্ভব হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

সভায় চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সভাপতিত্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, আমদানিকারক ও বাণিজ্য খাতের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম এ সালাম এবং কাস্টমস কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা। আলোচনা শেষে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও সরকারের নীতিমালার প্রতি সহযোগিতা প্রদর্শনের আশ্বাস দেওয়া হয়।