ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জাবিতে বাংলা নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ঘোষণা Logo সেমিস্টার ফি জমা দিতে দীর্ঘ লাইন, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা Logo রাবির জিয়া হলে ‘নারী থাকা সন্দেহে’ তল্লাশির অভিযোগে হল সংসদের এজিএসসহ ৩ শিক্ষার্থীর আবাসিকতা সাময়িক স্থগিত Logo নতুন স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে কুবিতে নবীনদের যাত্রা Logo জাবির ভাসানী হলের পুকুরে দূষিত পানির প্রবাহ বন্ধে স্মারকলিপি Logo বাকৃবিতে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ২য় ইন্টার্নশিপের উদ্বোধন Logo কুবির লক্ষ্মীপুর স্টুডেন্টস ক্লাবের নেতৃত্বে হামিম–আরেফিন Logo পয়লা বৈশাখ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার Logo হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ওপর দুর্বত্তদের হামলা, মামলা দায়ের Logo গায়ক-গায়িকা থেকে নায়ক-নায়িকা: ‘তুমি আমি শুধু’তে জুটি জেফার–প্রীতম

মার্কিন কোম্পানি ও যবিপ্রবি’র ন্যানো সার উদ্ভাবকের মধ্যে চুক্তি সই

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০৩:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ১৩১ বার পঠিত

ন্যানো সারের উদ্ভাবক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ল্যাবরেটরি অব ন্যানো বায়ো এন্ড এডভান্সড ম্যাটেরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (NAME Lab) এর প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর ড. জাভেদ হোসেন খান ও মার্কিন (USA) জৈব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলা বায়োর (Kulabio) মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় কোলা বায়ো যবিপ্রবি’র NAME Lab থেকে ন্যানো সারের প্রযুক্তি গ্রহন করবেন এবং তারাও তাদের জৈব প্রযুক্তি NAME Lab এর সাথে ভাগ করবেন।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) মার্কিন কোম্পানি কোলা বায়োর (Kulabio) পক্ষে ড. ফ্রেডেরিক কেন্ডিরগি (ভিপি অব ইনোভেশন এন্ড ম্যানুফেক্সারিং) এবং NAME Lab এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ন্যানো সারের উদ্ভাবক ড. জাভেদ হোসেন খান এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুসারে কোলা বায়ো NAME ল্যাবরেটরি, যবিপ্রবি থেকে ন্যানো সারের প্রযুক্তি গ্রহণ করার পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছর একসাথে কাজ করবেন।

এ বিষয় ন্যানো সারের উদ্ভাবক অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান বলেন, আমরা মার্কিন জৈব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলা বায়োর (Kulabio) সাথে চুক্তি করেছি। তারা আমাদের ন্যানো সারের প্রযুক্তি নিবেন এবং তাদের জৈব প্রযুক্তি ও আমাদের সাথে ভাগ করবেন। সম্প্রতি আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে (Boston) কোলা বায়োর কারখানা পরিদর্শন করেছি এবং এর সভাপতি ডঃ হ্যারিসন ইউন এর সাথে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেছি। তারা এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ন্যানো সার প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহী। এছাড়া তারা দ্রুত আমাদের ল্যাবরেটরি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য ড. জাভেদ হোসেন খান দীর্ঘ ৭ বছরের প্রচেষ্ঠায় ন্যানো ইউরিয়া তৈরি করেছেন যা ৪ হাজার ২০০ টাকার গতানুগতিক ইউরিয়া সারের পরিবর্তে ব্যবহার করলে খরচ হবে মাত্র ২৩০ টাকা। তার এ গবেষণার ফলাফল ইতোমধ্যে আমেরিকার বহু গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

জনপ্রিয়

জাবিতে বাংলা নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ঘোষণা

মার্কিন কোম্পানি ও যবিপ্রবি’র ন্যানো সার উদ্ভাবকের মধ্যে চুক্তি সই

প্রকাশিত ০৩:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

ন্যানো সারের উদ্ভাবক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ল্যাবরেটরি অব ন্যানো বায়ো এন্ড এডভান্সড ম্যাটেরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (NAME Lab) এর প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর ড. জাভেদ হোসেন খান ও মার্কিন (USA) জৈব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলা বায়োর (Kulabio) মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় কোলা বায়ো যবিপ্রবি’র NAME Lab থেকে ন্যানো সারের প্রযুক্তি গ্রহন করবেন এবং তারাও তাদের জৈব প্রযুক্তি NAME Lab এর সাথে ভাগ করবেন।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) মার্কিন কোম্পানি কোলা বায়োর (Kulabio) পক্ষে ড. ফ্রেডেরিক কেন্ডিরগি (ভিপি অব ইনোভেশন এন্ড ম্যানুফেক্সারিং) এবং NAME Lab এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ন্যানো সারের উদ্ভাবক ড. জাভেদ হোসেন খান এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুসারে কোলা বায়ো NAME ল্যাবরেটরি, যবিপ্রবি থেকে ন্যানো সারের প্রযুক্তি গ্রহণ করার পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছর একসাথে কাজ করবেন।

এ বিষয় ন্যানো সারের উদ্ভাবক অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান বলেন, আমরা মার্কিন জৈব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলা বায়োর (Kulabio) সাথে চুক্তি করেছি। তারা আমাদের ন্যানো সারের প্রযুক্তি নিবেন এবং তাদের জৈব প্রযুক্তি ও আমাদের সাথে ভাগ করবেন। সম্প্রতি আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে (Boston) কোলা বায়োর কারখানা পরিদর্শন করেছি এবং এর সভাপতি ডঃ হ্যারিসন ইউন এর সাথে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেছি। তারা এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ন্যানো সার প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহী। এছাড়া তারা দ্রুত আমাদের ল্যাবরেটরি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য ড. জাভেদ হোসেন খান দীর্ঘ ৭ বছরের প্রচেষ্ঠায় ন্যানো ইউরিয়া তৈরি করেছেন যা ৪ হাজার ২০০ টাকার গতানুগতিক ইউরিয়া সারের পরিবর্তে ব্যবহার করলে খরচ হবে মাত্র ২৩০ টাকা। তার এ গবেষণার ফলাফল ইতোমধ্যে আমেরিকার বহু গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।