ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা রাশিয়ার Logo ছুটির বিকালে ঢাকার মধ্যে ঘুরতে পারেন ৫ স্থানে Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo ‘ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন হাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী Logo নবনির্বাচিত কর্মচারী নেতাদের সংবর্ধনা দিল ‘জেইউ কলিগস ইউনিটি’ Logo কুবি ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে ২৫ জানুয়ারি থেকে Logo জাবির বাংলা বিভাগে অধ্যাপক মাহবুব আহসান খান স্মারক বৃত্তি প্রদান Logo জাবিতে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ১৮তম প্রয়াণ দিবস পালিত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বই খুলেছে জাবি প্রশাসন Logo ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্র্যান্ট পেল কুবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ

মার্কিন কোম্পানি ও যবিপ্রবি’র ন্যানো সার উদ্ভাবকের মধ্যে চুক্তি সই

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০৩:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ৭৬ বার পঠিত

ন্যানো সারের উদ্ভাবক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ল্যাবরেটরি অব ন্যানো বায়ো এন্ড এডভান্সড ম্যাটেরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (NAME Lab) এর প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর ড. জাভেদ হোসেন খান ও মার্কিন (USA) জৈব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলা বায়োর (Kulabio) মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় কোলা বায়ো যবিপ্রবি’র NAME Lab থেকে ন্যানো সারের প্রযুক্তি গ্রহন করবেন এবং তারাও তাদের জৈব প্রযুক্তি NAME Lab এর সাথে ভাগ করবেন।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) মার্কিন কোম্পানি কোলা বায়োর (Kulabio) পক্ষে ড. ফ্রেডেরিক কেন্ডিরগি (ভিপি অব ইনোভেশন এন্ড ম্যানুফেক্সারিং) এবং NAME Lab এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ন্যানো সারের উদ্ভাবক ড. জাভেদ হোসেন খান এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুসারে কোলা বায়ো NAME ল্যাবরেটরি, যবিপ্রবি থেকে ন্যানো সারের প্রযুক্তি গ্রহণ করার পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছর একসাথে কাজ করবেন।

এ বিষয় ন্যানো সারের উদ্ভাবক অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান বলেন, আমরা মার্কিন জৈব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলা বায়োর (Kulabio) সাথে চুক্তি করেছি। তারা আমাদের ন্যানো সারের প্রযুক্তি নিবেন এবং তাদের জৈব প্রযুক্তি ও আমাদের সাথে ভাগ করবেন। সম্প্রতি আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে (Boston) কোলা বায়োর কারখানা পরিদর্শন করেছি এবং এর সভাপতি ডঃ হ্যারিসন ইউন এর সাথে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেছি। তারা এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ন্যানো সার প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহী। এছাড়া তারা দ্রুত আমাদের ল্যাবরেটরি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য ড. জাভেদ হোসেন খান দীর্ঘ ৭ বছরের প্রচেষ্ঠায় ন্যানো ইউরিয়া তৈরি করেছেন যা ৪ হাজার ২০০ টাকার গতানুগতিক ইউরিয়া সারের পরিবর্তে ব্যবহার করলে খরচ হবে মাত্র ২৩০ টাকা। তার এ গবেষণার ফলাফল ইতোমধ্যে আমেরিকার বহু গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

জনপ্রিয়

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা রাশিয়ার

মার্কিন কোম্পানি ও যবিপ্রবি’র ন্যানো সার উদ্ভাবকের মধ্যে চুক্তি সই

প্রকাশিত ০৩:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

ন্যানো সারের উদ্ভাবক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ল্যাবরেটরি অব ন্যানো বায়ো এন্ড এডভান্সড ম্যাটেরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (NAME Lab) এর প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর ড. জাভেদ হোসেন খান ও মার্কিন (USA) জৈব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলা বায়োর (Kulabio) মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় কোলা বায়ো যবিপ্রবি’র NAME Lab থেকে ন্যানো সারের প্রযুক্তি গ্রহন করবেন এবং তারাও তাদের জৈব প্রযুক্তি NAME Lab এর সাথে ভাগ করবেন।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) মার্কিন কোম্পানি কোলা বায়োর (Kulabio) পক্ষে ড. ফ্রেডেরিক কেন্ডিরগি (ভিপি অব ইনোভেশন এন্ড ম্যানুফেক্সারিং) এবং NAME Lab এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ন্যানো সারের উদ্ভাবক ড. জাভেদ হোসেন খান এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুসারে কোলা বায়ো NAME ল্যাবরেটরি, যবিপ্রবি থেকে ন্যানো সারের প্রযুক্তি গ্রহণ করার পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছর একসাথে কাজ করবেন।

এ বিষয় ন্যানো সারের উদ্ভাবক অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান বলেন, আমরা মার্কিন জৈব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলা বায়োর (Kulabio) সাথে চুক্তি করেছি। তারা আমাদের ন্যানো সারের প্রযুক্তি নিবেন এবং তাদের জৈব প্রযুক্তি ও আমাদের সাথে ভাগ করবেন। সম্প্রতি আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে (Boston) কোলা বায়োর কারখানা পরিদর্শন করেছি এবং এর সভাপতি ডঃ হ্যারিসন ইউন এর সাথে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেছি। তারা এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ন্যানো সার প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহী। এছাড়া তারা দ্রুত আমাদের ল্যাবরেটরি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য ড. জাভেদ হোসেন খান দীর্ঘ ৭ বছরের প্রচেষ্ঠায় ন্যানো ইউরিয়া তৈরি করেছেন যা ৪ হাজার ২০০ টাকার গতানুগতিক ইউরিয়া সারের পরিবর্তে ব্যবহার করলে খরচ হবে মাত্র ২৩০ টাকা। তার এ গবেষণার ফলাফল ইতোমধ্যে আমেরিকার বহু গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।