ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির Logo কুবিতে মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও মিলনমেলা Logo ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার
শহীদ আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ শাহাদাত বার্ষিকী

ইবি ছাত্রশিবিরের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৪:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩৩ বার পঠিত

শহীদ আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা।

বুধবার (৮অক্টোবর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠান হয়।

শাখা সভাপতি মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় শিল্প ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এইচ এম আবু মুসা। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া শহর শাখার সভাপতি আবু ইউসুফ ও কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।

প্রধান অতিথি এইচ এম আবু মুসা তার বক্তব্যে আবরার ফাহাদের মৃত্যুকে “আওয়ামী ফ্যাসিজমের সময়কার একটি আলোচিত ও মর্মান্তিক ঘটনা” বলে উল্লেখ করে বলেন, “স্বৈরাচারের জঘন্য কার্যকলাপ আর সীমাহীন জুলুম-নিপীড়ন আমাদেরকে আইয়ামে জাহেলিয়াতের কথা মনে করিয়ে দেয়।” তিনি অভিযোগ করেন, “ছাত্রশিবিরকে এই আওয়ামী সরকার এমনভাবে দেশব্যাপী উপস্থাপন করেছিল যেন সবার মনে ছাত্রশিবির সম্পর্কে স্থায়ীভাবে ভয়ংকর ধারণা তৈরি হয়।”

তিনি আরও দাবি করেন, “শুধু শিবির সন্দেহে হাজারো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়েছে।” আবরার ফাহাদের মৃত্যুকে তিনি এই নির্যাতনের “নমুনা” হিসেবে বর্ণনা করেন। এছাড়াও, তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গুম হওয়া দুই শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের কথা উল্লেখ করে তাদের গুমের পেছনে জড়িতদের বিচারের দাবি তোলেন। পাশাপাশি, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর ঘটনায় “সুস্পষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা”র অভিযোগ করেন এবং এর দ্রুত বিচার কামনা করেন।

সভাপতি মু. মাহমুদুল হাসান তার বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতায় শহীদ আবরার ফাহাদের অবদান অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। ভারতীয় আধিপত্যবাদ এবং আওয়ামী ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন উচ্চকণ্ঠ।” তিনি আরও বলেন, “শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে স্বাধীন বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি, আমাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে এদেশ গড়ার জন্য বদ্ধপরিকর।”

অনুষ্ঠানের শেষভাগে প্রধান অতিথির দোয়া পরিচালনার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

জনপ্রিয়

সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির

শহীদ আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ শাহাদাত বার্ষিকী

ইবি ছাত্রশিবিরের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত ০৪:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

শহীদ আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা।

বুধবার (৮অক্টোবর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠান হয়।

শাখা সভাপতি মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় শিল্প ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এইচ এম আবু মুসা। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া শহর শাখার সভাপতি আবু ইউসুফ ও কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।

প্রধান অতিথি এইচ এম আবু মুসা তার বক্তব্যে আবরার ফাহাদের মৃত্যুকে “আওয়ামী ফ্যাসিজমের সময়কার একটি আলোচিত ও মর্মান্তিক ঘটনা” বলে উল্লেখ করে বলেন, “স্বৈরাচারের জঘন্য কার্যকলাপ আর সীমাহীন জুলুম-নিপীড়ন আমাদেরকে আইয়ামে জাহেলিয়াতের কথা মনে করিয়ে দেয়।” তিনি অভিযোগ করেন, “ছাত্রশিবিরকে এই আওয়ামী সরকার এমনভাবে দেশব্যাপী উপস্থাপন করেছিল যেন সবার মনে ছাত্রশিবির সম্পর্কে স্থায়ীভাবে ভয়ংকর ধারণা তৈরি হয়।”

তিনি আরও দাবি করেন, “শুধু শিবির সন্দেহে হাজারো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়েছে।” আবরার ফাহাদের মৃত্যুকে তিনি এই নির্যাতনের “নমুনা” হিসেবে বর্ণনা করেন। এছাড়াও, তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গুম হওয়া দুই শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের কথা উল্লেখ করে তাদের গুমের পেছনে জড়িতদের বিচারের দাবি তোলেন। পাশাপাশি, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর ঘটনায় “সুস্পষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা”র অভিযোগ করেন এবং এর দ্রুত বিচার কামনা করেন।

সভাপতি মু. মাহমুদুল হাসান তার বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতায় শহীদ আবরার ফাহাদের অবদান অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। ভারতীয় আধিপত্যবাদ এবং আওয়ামী ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন উচ্চকণ্ঠ।” তিনি আরও বলেন, “শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে স্বাধীন বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি, আমাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে এদেশ গড়ার জন্য বদ্ধপরিকর।”

অনুষ্ঠানের শেষভাগে প্রধান অতিথির দোয়া পরিচালনার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।