ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন Logo ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাস নিয়ে কুবি কুইজ সোসাইটির কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo ফুলেল শুভেচ্ছা না নিয়ে দায়িত্বশীলতার বার্তা দিলেন গোবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্য Logo জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে সন্ধ্যা থেকে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ Logo রাবিতে দুই প্রফেসরের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo কুবি পরিসংখ্যান সমিতির নেতৃত্বে হামীম-রাহীম Logo জুলাই শহিদদের স্মরণে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন Logo চরভদ্রাসনে সংসদ সদস্য বাবুলের উপস্থিতিতে ৫০০ দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ Logo গোবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল সাদাত

‘তিস্তার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবন ও জীবিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িত’

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি)শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার বলেছেন, ‘আমরা যারা উত্তরবঙ্গের মানুষ, আমাদের জীবন ও জীবিকা তিস্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র অন্যায়ভাবে তিস্তার পানি সরিয়ে নিয়ে তাদের কৃষিকাজসহ নানা ক্ষেত্রে ব্যবহার করছে। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা প্রমাণ করেছি, আমরা কখনো তাবেদার ছিলাম না, কাউকে তাবেদারি দেয়নি। এখনো আমরা তাদের সঙ্গে সমানে চোখ রেখে কথা বলার সাহস রাখি।’

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বৃহত্তর রংপুর সমিতির উদ্যোগে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও মশাল মিছিলে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টায় এ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়।

মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বারের মোড় থেকে শুরু হয়ে কেআর মার্কেট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘দাবি মোদের একটাই, তিস্তাপারের হিস্যা চায়’, ‘হিস্যা হিস্যা হিস্যা চায় তিস্তা পানির হিস্যা চায়’, ‘সফল হোক সফল হোক তিস্তা পাড়ের প্রকল্প’, ‘জাগো বাহে কোনঠে সবাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড আসাদুজ্জামান সরকার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বাকৃবি শাখার সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মঈন, ছাত্র নেতা মেজবাউল হকসহ শতাধিক শিক্ষার্থী।

এসময় শাখা শিবিরের সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মঈন বলেন, ‘তিস্তা সংকট বর্তমানে বাংলাদেশের একটি জাতীয় সমস্যা। তিস্তা পাড়ের রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম এই পাঁচ জেলার মেহনতি মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও দিনমজুররা তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইনটেরিম সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও এর বাস্তবায়ন শুরু হয়নি।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন

‘তিস্তার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবন ও জীবিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িত’

প্রকাশিত ১১:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি)শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার বলেছেন, ‘আমরা যারা উত্তরবঙ্গের মানুষ, আমাদের জীবন ও জীবিকা তিস্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র অন্যায়ভাবে তিস্তার পানি সরিয়ে নিয়ে তাদের কৃষিকাজসহ নানা ক্ষেত্রে ব্যবহার করছে। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা প্রমাণ করেছি, আমরা কখনো তাবেদার ছিলাম না, কাউকে তাবেদারি দেয়নি। এখনো আমরা তাদের সঙ্গে সমানে চোখ রেখে কথা বলার সাহস রাখি।’

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বৃহত্তর রংপুর সমিতির উদ্যোগে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও মশাল মিছিলে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টায় এ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়।

মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বারের মোড় থেকে শুরু হয়ে কেআর মার্কেট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘দাবি মোদের একটাই, তিস্তাপারের হিস্যা চায়’, ‘হিস্যা হিস্যা হিস্যা চায় তিস্তা পানির হিস্যা চায়’, ‘সফল হোক সফল হোক তিস্তা পাড়ের প্রকল্প’, ‘জাগো বাহে কোনঠে সবাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড আসাদুজ্জামান সরকার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বাকৃবি শাখার সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মঈন, ছাত্র নেতা মেজবাউল হকসহ শতাধিক শিক্ষার্থী।

এসময় শাখা শিবিরের সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মঈন বলেন, ‘তিস্তা সংকট বর্তমানে বাংলাদেশের একটি জাতীয় সমস্যা। তিস্তা পাড়ের রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম এই পাঁচ জেলার মেহনতি মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও দিনমজুররা তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইনটেরিম সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও এর বাস্তবায়ন শুরু হয়নি।