ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আমরা চাই মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা: ড. কামাল হোসেন Logo যুক্তরাজ্যের এইচপিআই ভিসা তালিকা প্রকাশ, নেই বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় Logo আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ Logo সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ায় ডিআরইউর উদ্বেগ Logo চীনের বিপক্ষে হেরে ষষ্ঠ হলো বাংলাদেশ Logo লিহাই গোর্জ-এর রঙিন শরৎ Logo রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুলবর্ষের অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণ Logo সুন্দরবনে বনদস্যু আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন Logo শ্রমিক আন্দোলনে পাশের দেশ থেকে ‘মাফিয়ারা’ অপচেষ্টা চালাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গাবতলী-দাশেরকান্দি মেট্রোরেলের অর্থায়ন নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা

ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে যবিপ্রবিতে বিক্ষোভ মিছিল

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০৪:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৭৯ বার পঠিত

হিন্দুত্ববাদী চক্র কর্তৃক মুসলিম নারীদের সম্ভ্রম নষ্ট, ধর্ষণ, গাজীপুরের টিএনটি এলাকার মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুহিবুল্লাহ মাদানীকে অপহরণ, চট্টগ্রামে আলিফ হত্যাসহ ইসকনের সকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এবং ইসকন নিষিদ্ধের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ইসকনকে যবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর পৌনে দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ-মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের নিচে গিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা, “নারায়ে তাকবির- আল্লাহ আকবর”, “অ্যাকশন অ্যাকশন-ডাইরেক্ট অ্যাকশন”, “হিন্দুত্ববাদি ইসকনের এই বাংলায় ঠাঁই নায়”, “আবু সাঈদের বাংলায়-ইসকনের ঠাঁই নাই”, “তিতুমিরের বাংলায়-ইসকনের ঠাঁই নাই”, “শাহজালালের বাংলায়-ইসকনের ঠাঁই নাই”, “ইসকন জঙ্গি-স্বৈরাচারের সঙ্গি”, “ইসকন হটাও-বাচাও দেশ”, “অপহরণ ধর্ষণ-ইস্কন ইস্কন” ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী জালিস মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠতা হওয়া সত্বেও আজ আমরা নিজ মাতৃভূমিতে বঞ্চিত, অপমানিত, নির্যাতিত, ও নিপীড়িত। টঙ্গী গাজীপুরে এক মসজিদের ইমাম ইসলামের কথা বলায়, ইসকন কর্তৃক অপহৃত হন। যারা ইসকনের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের সাহায্য করছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আমাদের দেশের মেয়েরা এবং শিশুরা ইসকন কর্তৃক গুম ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। প্রশাসন ইসকনের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আমরা যবিপ্রবি প্রশাসনের কাছে ইসকন নিষিদ্ধদের দাবি জানাচ্ছি।

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী তাহসিন আরাফাত বলেন, এই রাষ্ট্র যদি আমাদের ইসকনের মতো সংগঠন থেকে নিরাপত্তা দিতে না পারে, তবে এমন রাষ্ট্র ও আইনের প্রয়োজন নেই। ইসকন নামের সংগঠনটি আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামি অমিত সাহাকে রক্ষা করেছে, সিলেটে মসজিদে গুলি চালিয়েছে এবং ইমাম হত্যার মতো ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থেকেও পার পেয়েছে। আওয়ামী আমলে তারা ফ্যাসিবাদের অংশে পরিণত হয়েছে।

তাদের হাতে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও ভূমি দখলের ঘটনা বেড়েই চলেছে। মুসলিম মেয়েদের টার্গেট করা হচ্ছে, আর পুলিশ এসবকে ‘প্রেমের কাহিনি’ বলে আড়াল করছে। সম্প্রতি বুয়েটের ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী শীশান্ত রয় এক মুসলিম নারী শিক্ষার্থীকে মাদক সেবন করিয়ে ধর্ষণ করেছে। আমরা সারাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে সংগঠনটি নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

জনপ্রিয়

আমরা চাই মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা: ড. কামাল হোসেন

ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে যবিপ্রবিতে বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশিত ০৪:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

হিন্দুত্ববাদী চক্র কর্তৃক মুসলিম নারীদের সম্ভ্রম নষ্ট, ধর্ষণ, গাজীপুরের টিএনটি এলাকার মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুহিবুল্লাহ মাদানীকে অপহরণ, চট্টগ্রামে আলিফ হত্যাসহ ইসকনের সকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এবং ইসকন নিষিদ্ধের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ইসকনকে যবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর পৌনে দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ-মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের নিচে গিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা, “নারায়ে তাকবির- আল্লাহ আকবর”, “অ্যাকশন অ্যাকশন-ডাইরেক্ট অ্যাকশন”, “হিন্দুত্ববাদি ইসকনের এই বাংলায় ঠাঁই নায়”, “আবু সাঈদের বাংলায়-ইসকনের ঠাঁই নাই”, “তিতুমিরের বাংলায়-ইসকনের ঠাঁই নাই”, “শাহজালালের বাংলায়-ইসকনের ঠাঁই নাই”, “ইসকন জঙ্গি-স্বৈরাচারের সঙ্গি”, “ইসকন হটাও-বাচাও দেশ”, “অপহরণ ধর্ষণ-ইস্কন ইস্কন” ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী জালিস মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠতা হওয়া সত্বেও আজ আমরা নিজ মাতৃভূমিতে বঞ্চিত, অপমানিত, নির্যাতিত, ও নিপীড়িত। টঙ্গী গাজীপুরে এক মসজিদের ইমাম ইসলামের কথা বলায়, ইসকন কর্তৃক অপহৃত হন। যারা ইসকনের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের সাহায্য করছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আমাদের দেশের মেয়েরা এবং শিশুরা ইসকন কর্তৃক গুম ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। প্রশাসন ইসকনের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আমরা যবিপ্রবি প্রশাসনের কাছে ইসকন নিষিদ্ধদের দাবি জানাচ্ছি।

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী তাহসিন আরাফাত বলেন, এই রাষ্ট্র যদি আমাদের ইসকনের মতো সংগঠন থেকে নিরাপত্তা দিতে না পারে, তবে এমন রাষ্ট্র ও আইনের প্রয়োজন নেই। ইসকন নামের সংগঠনটি আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামি অমিত সাহাকে রক্ষা করেছে, সিলেটে মসজিদে গুলি চালিয়েছে এবং ইমাম হত্যার মতো ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থেকেও পার পেয়েছে। আওয়ামী আমলে তারা ফ্যাসিবাদের অংশে পরিণত হয়েছে।

তাদের হাতে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও ভূমি দখলের ঘটনা বেড়েই চলেছে। মুসলিম মেয়েদের টার্গেট করা হচ্ছে, আর পুলিশ এসবকে ‘প্রেমের কাহিনি’ বলে আড়াল করছে। সম্প্রতি বুয়েটের ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী শীশান্ত রয় এক মুসলিম নারী শিক্ষার্থীকে মাদক সেবন করিয়ে ধর্ষণ করেছে। আমরা সারাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে সংগঠনটি নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি।