ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সড়কের গর্তে ২ ঘণ্টা ধরে আটকে রইলো অ্যাম্বুলেন্স, নবজাতকের মৃত্যু Logo দৌড়েই স্বপ্নজয়, সুইটি আক্তারের ৮০ ম্যারাথন নারীদের অনুপ্রেরণা Logo মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি Logo শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী Logo বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্ট ৯ অক্টোবর, ত্রিদেশীয় সিরিজ ১৭ তারিখ থেকে Logo ‘খেলনা বিমান’ বলে মামলা খেলেন নোরা Logo নিজেদের দাবি জানাতে সড়কে নেমে পড়লো রোবটের দল Logo যাত্রাবাড়ীতে গুলি: অস্ত্র-গোলাবারুদসহ গ্রেফতার চার, বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo লিবিয়ার ‘গেম ঘর’ থেকে মিশরের জেলখানায় ৬ বাংলাদেশি

শেখ হাসিনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে: মামুনুল হক

জনতার আদালতে শেখ হাসিনার বিচারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।

তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কয়েক হাজার হত্যা মামলা হওয়া উচিত। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং বিডিআরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করতে হবে। এরপর সামরিক আইনে তার বিচার হওয়া উচিত। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে জনতাকে হত্যা করার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা করতে হবে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণসমাবেশে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কিংবা জনগণের জন্য কাজ করেনি। তারা আরেকটি দেশের স্বার্থে বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদকে পুঁজি করেছিল। এক্ষেত্রে আমি স্পষ্ট ভারতের নাম উল্লেখ করতে চাই। এখন পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশবিরোধী তার মিশন থামায়নি। তারা ষড়যন্ত্রের পথ থেকে ফিরে আসেনি। বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা এবং সবগুলো দোসরদের ভারত নিজের কক্ষে আশ্রয় দিয়েছে। শেখ হাসিনা যেখানে পালিয়ে থাকবেন, সেখান থেকে তাকে ধরে এনে হাজার হাজার মানুষ হত্যার দায়ে জনতার আদালতে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

মামুনুল হক আরও বলেন, এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। আমরা জোর দাবি জানাই, অনতিবিলম্বে ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে। আমি অন্তর্বর্তী সরকারকে বলবো, পাচার করা টাকাগুলো দেশে ফিরিয়ে নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে ব্যয় করুন।

গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা লিয়াকত হুসাইন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদ, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী ও মাওলানা আবু সাঈদ নোমান।

জনপ্রিয়

সড়কের গর্তে ২ ঘণ্টা ধরে আটকে রইলো অ্যাম্বুলেন্স, নবজাতকের মৃত্যু

শেখ হাসিনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে: মামুনুল হক

প্রকাশিত ০৬:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪

জনতার আদালতে শেখ হাসিনার বিচারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।

তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কয়েক হাজার হত্যা মামলা হওয়া উচিত। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং বিডিআরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করতে হবে। এরপর সামরিক আইনে তার বিচার হওয়া উচিত। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে জনতাকে হত্যা করার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা করতে হবে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণসমাবেশে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কিংবা জনগণের জন্য কাজ করেনি। তারা আরেকটি দেশের স্বার্থে বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদকে পুঁজি করেছিল। এক্ষেত্রে আমি স্পষ্ট ভারতের নাম উল্লেখ করতে চাই। এখন পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশবিরোধী তার মিশন থামায়নি। তারা ষড়যন্ত্রের পথ থেকে ফিরে আসেনি। বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা এবং সবগুলো দোসরদের ভারত নিজের কক্ষে আশ্রয় দিয়েছে। শেখ হাসিনা যেখানে পালিয়ে থাকবেন, সেখান থেকে তাকে ধরে এনে হাজার হাজার মানুষ হত্যার দায়ে জনতার আদালতে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

মামুনুল হক আরও বলেন, এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। আমরা জোর দাবি জানাই, অনতিবিলম্বে ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে। আমি অন্তর্বর্তী সরকারকে বলবো, পাচার করা টাকাগুলো দেশে ফিরিয়ে নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে ব্যয় করুন।

গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা লিয়াকত হুসাইন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদ, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী ও মাওলানা আবু সাঈদ নোমান।