ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যবিপ্রবি প্রবাহ সাংস্কৃতিক সংঘের নেতৃত্বে প্রতনু-ফাহিম Logo জুরাইনে গুলিতে সিএনজি চালক হত্যা : প্রধান আসামি বাপ্পারাজ গ্রেফতার  Logo চলন্ত বাসে বাঙলা কলেজের ছাত্রীকে রাতভর গণধর্ষণ, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo জাবিতে ইংরেজি বিভাগের ক্লাসরুম সংকট সমাধানের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক সন্ধ্যায় Logo হাবিপ্রবি ছায়া জাতিসংঘের নেতৃত্বে নাবিলা-ফারিশতা Logo ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা রাশিয়ার Logo ছুটির বিকালে ঢাকার মধ্যে ঘুরতে পারেন ৫ স্থানে Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo ‘ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন হাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী

শেখ হাসিনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে: মামুনুল হক

জনতার আদালতে শেখ হাসিনার বিচারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।

তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কয়েক হাজার হত্যা মামলা হওয়া উচিত। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং বিডিআরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করতে হবে। এরপর সামরিক আইনে তার বিচার হওয়া উচিত। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে জনতাকে হত্যা করার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা করতে হবে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণসমাবেশে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কিংবা জনগণের জন্য কাজ করেনি। তারা আরেকটি দেশের স্বার্থে বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদকে পুঁজি করেছিল। এক্ষেত্রে আমি স্পষ্ট ভারতের নাম উল্লেখ করতে চাই। এখন পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশবিরোধী তার মিশন থামায়নি। তারা ষড়যন্ত্রের পথ থেকে ফিরে আসেনি। বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা এবং সবগুলো দোসরদের ভারত নিজের কক্ষে আশ্রয় দিয়েছে। শেখ হাসিনা যেখানে পালিয়ে থাকবেন, সেখান থেকে তাকে ধরে এনে হাজার হাজার মানুষ হত্যার দায়ে জনতার আদালতে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

মামুনুল হক আরও বলেন, এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। আমরা জোর দাবি জানাই, অনতিবিলম্বে ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে। আমি অন্তর্বর্তী সরকারকে বলবো, পাচার করা টাকাগুলো দেশে ফিরিয়ে নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে ব্যয় করুন।

গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা লিয়াকত হুসাইন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদ, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী ও মাওলানা আবু সাঈদ নোমান।

জনপ্রিয়

যবিপ্রবি প্রবাহ সাংস্কৃতিক সংঘের নেতৃত্বে প্রতনু-ফাহিম

শেখ হাসিনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে: মামুনুল হক

প্রকাশিত ০৬:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪

জনতার আদালতে শেখ হাসিনার বিচারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।

তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কয়েক হাজার হত্যা মামলা হওয়া উচিত। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং বিডিআরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করতে হবে। এরপর সামরিক আইনে তার বিচার হওয়া উচিত। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে জনতাকে হত্যা করার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা করতে হবে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণসমাবেশে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কিংবা জনগণের জন্য কাজ করেনি। তারা আরেকটি দেশের স্বার্থে বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদকে পুঁজি করেছিল। এক্ষেত্রে আমি স্পষ্ট ভারতের নাম উল্লেখ করতে চাই। এখন পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশবিরোধী তার মিশন থামায়নি। তারা ষড়যন্ত্রের পথ থেকে ফিরে আসেনি। বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা এবং সবগুলো দোসরদের ভারত নিজের কক্ষে আশ্রয় দিয়েছে। শেখ হাসিনা যেখানে পালিয়ে থাকবেন, সেখান থেকে তাকে ধরে এনে হাজার হাজার মানুষ হত্যার দায়ে জনতার আদালতে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

মামুনুল হক আরও বলেন, এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। আমরা জোর দাবি জানাই, অনতিবিলম্বে ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে। আমি অন্তর্বর্তী সরকারকে বলবো, পাচার করা টাকাগুলো দেশে ফিরিয়ে নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে ব্যয় করুন।

গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা লিয়াকত হুসাইন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদ, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী ও মাওলানা আবু সাঈদ নোমান।