ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিএজি’র অডিট রিপোর্ট পেশ Logo ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বাকৃবিতে প্রশিক্ষণ সমাপনী Logo হাবিপ্রবিতে বইয়ের উৎসব: জ্ঞানের আলোকধারায় মুখর তিনদিন Logo নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের জন্য আইএসডির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্যানেল আলোচনা Logo ‎বাঁধন কবি নজরুল সরকারি কলেজ ইউনিটের প্রধান উপদেষ্টার বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলেন জবি ছাত্রদলের ফয়সাল কামাল Logo কুবিতে আইকিউএসির নবীন বরণ: দ্বিতীয় দিনে বাংলা ও ইংরেজি বিভাগের অংশগ্রহণ Logo ‎জাবিসাসের দায়িত্ব হস্তান্তর ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের নতুন কমিটি ঘোষণা; নেতৃত্বে রাজীব-নাহিদ Logo হাওরাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বোরোধান চাষ, আকস্মিক বন্যা থেকে রক্ষা

নারীদের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্যের জবাব জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে: ইশরাক

আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল নারীদের প্রতি যে ধরনের অবমাননাকর বক্তব্য দিচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ এই ধরনের আচরণ কখনও গ্রহণ করবে না এবং আগামী 12 ফেব্রুয়ারি তারা ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে বলে মনে করেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ কালে সাংবাদিকদেরকে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক বলেন , আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে। তারা অত্যন্ত অন্যায়ভাবে বিভিন্ন বাসায় কোরআন শরীফ ব্যবহার করে কসম কাটাচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে
এই ধরনের নেককারজনক ভাবে রাজনৈতিক সুবিধা লুটার চেষ্টা করছে।

ইশরাক হোসেন নারীদের প্রতি অবমাননাকর আচরণের প্রসঙ্গে বলেন, নারীদের প্রতি যে ধরনের অবমাননাকর বক্তব্য তারা দিচ্ছে এবং পরবর্তীতে যে সাফাই গায়, তা কোনভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। সারাদেশে আমাদের মা-বোনেরা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন। আমরা তাদের প্রতি একাত্মতা পোষণ করছি এবং ঘৃণা প্রকাশ করছি তাদের বিরুদ্ধে, যারা নারী বিদ্বেষী আচরণ করছেন এবং নারীদের ওপর বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়ে তাদের হেয় প্রতিপন্ন করছেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এই ধরনের আচরণ কখনও গ্রহণ করবে না। ভোটাররা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।
এবং আগামী 12 ফেব্রুয়ারি তারা ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। যারা এসব বলছে, তাদের প্রকৃত রাজনৈতিক ভিত্তি নেই। আগামী 12 ফেব্রুয়ারি তাদের
বেশিরভাগেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে ।

ইশরাক হোসেন বলেন, যদি কেউ বলে আমি নেপোটিজম করি, তার জবাব দেবেন ভোটাররাই। ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করবেন নাকি ভোটও দেবেন না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ভোটারদের। আমরা তো একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি। সুষ্ঠু নির্বাচনে যদি কেউ বলে আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই বা আমি পারিবারিক সূত্রে রাজনীতি করছি, ভোটাররাই ঠিক করবেন। তখন ওনারা বিজয়ী হলেও কোনো অসুবিধা নেই।

সাংবাদিকদের আর এক প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বট বাহিনী রয়েছে। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলকে আমরা এ কারণে ‘গুপ্ত’ বলি। তারা কখনো প্রকাশ্যে রাজনীতি করে নাই, বিভিন্ন ছদ্মবেশে আড়ালে থেকে রাজনীতি করেছে। যারা এখন ছাত্রসংগঠন চালাচ্ছে, তারা অতীতে ছাত্রলীগের সদস্য ছিল এবং ছাত্রলীগের সদস্য হয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতনে অংশগ্রহণ করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাস্তব রাজনীতি হলো ভোটের রাজনীতি। আগামী 12 ফেব্রুয়ারি সাধারণ জনগণ ভোট দিবে, এবং ভোটের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিএজি’র অডিট রিপোর্ট পেশ

নারীদের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্যের জবাব জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে: ইশরাক

প্রকাশিত ০৭:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল নারীদের প্রতি যে ধরনের অবমাননাকর বক্তব্য দিচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ এই ধরনের আচরণ কখনও গ্রহণ করবে না এবং আগামী 12 ফেব্রুয়ারি তারা ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে বলে মনে করেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ কালে সাংবাদিকদেরকে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক বলেন , আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে। তারা অত্যন্ত অন্যায়ভাবে বিভিন্ন বাসায় কোরআন শরীফ ব্যবহার করে কসম কাটাচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে
এই ধরনের নেককারজনক ভাবে রাজনৈতিক সুবিধা লুটার চেষ্টা করছে।

ইশরাক হোসেন নারীদের প্রতি অবমাননাকর আচরণের প্রসঙ্গে বলেন, নারীদের প্রতি যে ধরনের অবমাননাকর বক্তব্য তারা দিচ্ছে এবং পরবর্তীতে যে সাফাই গায়, তা কোনভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। সারাদেশে আমাদের মা-বোনেরা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন। আমরা তাদের প্রতি একাত্মতা পোষণ করছি এবং ঘৃণা প্রকাশ করছি তাদের বিরুদ্ধে, যারা নারী বিদ্বেষী আচরণ করছেন এবং নারীদের ওপর বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়ে তাদের হেয় প্রতিপন্ন করছেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এই ধরনের আচরণ কখনও গ্রহণ করবে না। ভোটাররা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।
এবং আগামী 12 ফেব্রুয়ারি তারা ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। যারা এসব বলছে, তাদের প্রকৃত রাজনৈতিক ভিত্তি নেই। আগামী 12 ফেব্রুয়ারি তাদের
বেশিরভাগেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে ।

ইশরাক হোসেন বলেন, যদি কেউ বলে আমি নেপোটিজম করি, তার জবাব দেবেন ভোটাররাই। ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করবেন নাকি ভোটও দেবেন না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ভোটারদের। আমরা তো একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি। সুষ্ঠু নির্বাচনে যদি কেউ বলে আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই বা আমি পারিবারিক সূত্রে রাজনীতি করছি, ভোটাররাই ঠিক করবেন। তখন ওনারা বিজয়ী হলেও কোনো অসুবিধা নেই।

সাংবাদিকদের আর এক প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বট বাহিনী রয়েছে। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলকে আমরা এ কারণে ‘গুপ্ত’ বলি। তারা কখনো প্রকাশ্যে রাজনীতি করে নাই, বিভিন্ন ছদ্মবেশে আড়ালে থেকে রাজনীতি করেছে। যারা এখন ছাত্রসংগঠন চালাচ্ছে, তারা অতীতে ছাত্রলীগের সদস্য ছিল এবং ছাত্রলীগের সদস্য হয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতনে অংশগ্রহণ করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাস্তব রাজনীতি হলো ভোটের রাজনীতি। আগামী 12 ফেব্রুয়ারি সাধারণ জনগণ ভোট দিবে, এবং ভোটের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।