ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক Logo রাবি ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক হিসেবে সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীবের আত্মপ্রকাশ

কুবিতে ছাত্র সংগঠন গুলোর সাথে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ছাত্র সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩২টি ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ।

মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ছাত্র সংগঠনগুলোর কার্যক্রম, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা তাদের পূর্ববর্তী কার্যক্রম, সীমাবদ্ধতা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনই ক্যাম্পাসের প্রাণ। এসব সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাণবন্ত ও গতিশীল করে তোলে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবার আমরা সর্বোচ্চ মানের শিক্ষক নিয়োগ দিতে সক্ষম হয়েছি। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নতুন ক্যাম্পাস চালুর লক্ষ্যে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি সংগঠন কার্যক্রম ও ক্যাম্পাস জীবনকে আরও প্রাণবন্ত করতে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরকে আরও সক্রিয় করা হয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কয়েকটি বিভাগে শিক্ষক সংকট, ক্যাফেটেরিয়া সংকট, বাস সংকট এবং সেশন জটসহ নানা সমস্যা বিদ্যমান ছিল। এসব সংকট নিরসনে আমরা ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধশীল করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ কাজে আপনাদের সবার সহযোগিতা কাম্য।’

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ও প্রাণবন্ত করা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজকের এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই সভার মাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠন তাদের দাবি, কার্যক্রম, পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ উদ্যোগ তুলে ধরছে, যা সংগঠনগুলোর কার্যকর ভূমিকা পালনে সহায়ক হবে।’

জনপ্রিয়

রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো

কুবিতে ছাত্র সংগঠন গুলোর সাথে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা 

প্রকাশিত ০৫:১২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ছাত্র সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩২টি ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ।

মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ছাত্র সংগঠনগুলোর কার্যক্রম, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা তাদের পূর্ববর্তী কার্যক্রম, সীমাবদ্ধতা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনই ক্যাম্পাসের প্রাণ। এসব সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাণবন্ত ও গতিশীল করে তোলে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবার আমরা সর্বোচ্চ মানের শিক্ষক নিয়োগ দিতে সক্ষম হয়েছি। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নতুন ক্যাম্পাস চালুর লক্ষ্যে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি সংগঠন কার্যক্রম ও ক্যাম্পাস জীবনকে আরও প্রাণবন্ত করতে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরকে আরও সক্রিয় করা হয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কয়েকটি বিভাগে শিক্ষক সংকট, ক্যাফেটেরিয়া সংকট, বাস সংকট এবং সেশন জটসহ নানা সমস্যা বিদ্যমান ছিল। এসব সংকট নিরসনে আমরা ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধশীল করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ কাজে আপনাদের সবার সহযোগিতা কাম্য।’

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ও প্রাণবন্ত করা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজকের এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই সভার মাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠন তাদের দাবি, কার্যক্রম, পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ উদ্যোগ তুলে ধরছে, যা সংগঠনগুলোর কার্যকর ভূমিকা পালনে সহায়ক হবে।’