ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জাবিতে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত Logo সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষায় কাজ করছে ‘হাবিপ্রবি মজার ইস্কুল Logo বাকৃবি কৃষিকন্যা হলে প্রশাসনের অভিযানে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম জব্দ ও হিটার ভাঙচুর, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ  Logo রপ্তানিযোগ্য আলু বাছাইয়ে স্মার্ট প্রযুক্তি: বাকৃবিতে অটোমেটেড পটেটো গ্রেডার নিয়ে কর্মশালা Logo জাবিতে মিডিয়া ও ইনফরমেশন লিটারেসি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo জুলাইকে বিএনপি গুরুত্ব দিতে চায় না : শিশির মনির   Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে কুবির বিজয়-২৪ হলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রিভার জামিন Logo ফটোকপির দাম চাওয়াকে কেন্দ্র করে রাবিতে দোকানির ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা Logo কুবিতে ছাত্রদল নেতা ও কর্মীর একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

নতুন সরকারের মন্ত্রিত্ব পাচ্ছেন এস এম জিলানী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতিমধ্যে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার রূপরেখা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে দলটি। এতে দলের সিনিয়র নেতাদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছেন নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকরাও।

অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে  নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, প্রশাসনে গতি আনা, নীতিনির্ধারণে নতুন ভাবনা এবং নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

নতুন সরকার গঠনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন চলছে জোর আলোচনা, তখন সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় দৃঢ়ভাবে উচ্চারিত হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী-এর নাম। দলীয় অভ্যন্তরীণ সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন তিনি।

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে বিজয়ের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থাভাজন হিসেবে উঠে আসেন এস এম জিলানী। নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা—সব মিলিয়ে তাকে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলীয় নেতাদের একটি অংশ মনে করছেন, নতুন সরকার তরুণ ও কর্মক্ষম নেতৃত্বকে সামনে এনে একটি গতিশীল মন্ত্রিসভা গঠন করতে চায়। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এস এম জিলানীর মতো নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, চূড়ান্ত ঘোষণায় তার নাম থাকাটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

সমর্থকরা অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা হবে এলাকার মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন।

যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবু সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে অনেকেই বলছেন—নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় এস এম জিলানীর অন্তর্ভুক্তি এখন অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

জনপ্রিয়

জাবিতে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত

নতুন সরকারের মন্ত্রিত্ব পাচ্ছেন এস এম জিলানী

প্রকাশিত ০২:৫৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতিমধ্যে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার রূপরেখা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে দলটি। এতে দলের সিনিয়র নেতাদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছেন নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকরাও।

অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে  নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, প্রশাসনে গতি আনা, নীতিনির্ধারণে নতুন ভাবনা এবং নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

নতুন সরকার গঠনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন চলছে জোর আলোচনা, তখন সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় দৃঢ়ভাবে উচ্চারিত হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী-এর নাম। দলীয় অভ্যন্তরীণ সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন তিনি।

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে বিজয়ের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থাভাজন হিসেবে উঠে আসেন এস এম জিলানী। নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা—সব মিলিয়ে তাকে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলীয় নেতাদের একটি অংশ মনে করছেন, নতুন সরকার তরুণ ও কর্মক্ষম নেতৃত্বকে সামনে এনে একটি গতিশীল মন্ত্রিসভা গঠন করতে চায়। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এস এম জিলানীর মতো নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, চূড়ান্ত ঘোষণায় তার নাম থাকাটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

সমর্থকরা অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা হবে এলাকার মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন।

যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবু সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে অনেকেই বলছেন—নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় এস এম জিলানীর অন্তর্ভুক্তি এখন অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।