ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতিমধ্যে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার রূপরেখা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে দলটি। এতে দলের সিনিয়র নেতাদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছেন নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকরাও।
অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, প্রশাসনে গতি আনা, নীতিনির্ধারণে নতুন ভাবনা এবং নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
নতুন সরকার গঠনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন চলছে জোর আলোচনা, তখন সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় দৃঢ়ভাবে উচ্চারিত হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী-এর নাম। দলীয় অভ্যন্তরীণ সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন তিনি।
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে বিজয়ের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থাভাজন হিসেবে উঠে আসেন এস এম জিলানী। নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা—সব মিলিয়ে তাকে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দলীয় নেতাদের একটি অংশ মনে করছেন, নতুন সরকার তরুণ ও কর্মক্ষম নেতৃত্বকে সামনে এনে একটি গতিশীল মন্ত্রিসভা গঠন করতে চায়। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এস এম জিলানীর মতো নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, চূড়ান্ত ঘোষণায় তার নাম থাকাটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
সমর্থকরা অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা হবে এলাকার মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন।
যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবু সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে অনেকেই বলছেন—নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় এস এম জিলানীর অন্তর্ভুক্তি এখন অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।



















