ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কুবি পরিসংখ্যান সমিতির নেতৃত্বে হামীম-রাহীম Logo জুলাই শহিদদের স্মরণে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন Logo চরভদ্রাসনে সংসদ সদস্য বাবুলের উপস্থিতিতে ৫০০ দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ Logo গোবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল সাদাত Logo রুমমেটকে মারধরের অভিযোগে পাবিপ্রবিতে ছাত্রদল কর্মী বহিষ্কার Logo বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত অন্তত ১৫ Logo সাইবার বুলিং বিতর্কে জাককানইবি সাংবাদিক ফোরামের কার্যক্রম স্থগিত ঘোঘণা প্রশাসনের Logo দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের ‘কোয়ালিটি গ্রাজুয়েট’ গড়ে তুলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই- বাকৃবি উপাচার্য  Logo গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানে ডেনিম্যাক লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি Logo নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস

প্রথমবার আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টনে রানার্সআপ কুবি নারীদল

প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন (ছাত্রী) প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) নারী দল। টানটান লড়াইয়ের ফাইনালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ২-০ সেটে হেরে রানার্সআপ হয় দলটি।

সোমবার (১১ মে) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) জিমনেশিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে কুবি নারী দল পরাজিত হলেও প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব অর্জন করে তাঁরা।

এর আগে রবিবার (১০ মে) অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের মাঠে

হারিয়ে প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ফাইনালে জায়গা করে নেয় কুবি নারী দল।

ব্যাডমিন্টন দলের সদস্যরা হলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী বিথী আক্তার কাজল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সাবরিনা মনিকা এবং ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া নওরিন।

প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনালে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়ে সাদিয়া নওরিন বলেন, ‘শুরু থেকেই আমাদের আত্মবিশ্বাস ভালো ছিল। তবে এতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে হারিয়ে ফাইনালে উঠবো, সেটা ভাবিনি। ফিকচার দেখার পর আমাদের বিশ্বাস ছিল যে আমরা ফাইনালে যেতে পারবো।’

ফাইনালে পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্র্যাকটিসের অভাবই মূল কারণ। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত অনুশীলন ও মেয়েদের জিমে ব্যায়ামের পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকাও আমাদের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে।’

নিজের অনুভূতি জানিয়ে বিথী আক্তার কাজল বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার ফাইনাল অবধি আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। রানার্সআপ হলেও আমাদের এই অর্জন ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

টিম ম্যানেজার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মেয়েরা খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছে এবং প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। প্রতিপক্ষ ভালো খেলায় আমরা ফাইনালে হেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েদের মধ্যে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তারা খেলাধুলার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও সঠিক গাইডলাইন পেলে আরও ভালো করবে। ভবিষ্যতে তাদের কাছে আমাদের আরও প্রত্যাশা থাকবে এবং আমরা আশাবাদী তারা ভালো ফলাফল অর্জন করবে।’

জনপ্রিয়

কুবি পরিসংখ্যান সমিতির নেতৃত্বে হামীম-রাহীম

প্রথমবার আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টনে রানার্সআপ কুবি নারীদল

প্রকাশিত ০১:১১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন (ছাত্রী) প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) নারী দল। টানটান লড়াইয়ের ফাইনালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ২-০ সেটে হেরে রানার্সআপ হয় দলটি।

সোমবার (১১ মে) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) জিমনেশিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে কুবি নারী দল পরাজিত হলেও প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব অর্জন করে তাঁরা।

এর আগে রবিবার (১০ মে) অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের মাঠে

হারিয়ে প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ফাইনালে জায়গা করে নেয় কুবি নারী দল।

ব্যাডমিন্টন দলের সদস্যরা হলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী বিথী আক্তার কাজল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সাবরিনা মনিকা এবং ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া নওরিন।

প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনালে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়ে সাদিয়া নওরিন বলেন, ‘শুরু থেকেই আমাদের আত্মবিশ্বাস ভালো ছিল। তবে এতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে হারিয়ে ফাইনালে উঠবো, সেটা ভাবিনি। ফিকচার দেখার পর আমাদের বিশ্বাস ছিল যে আমরা ফাইনালে যেতে পারবো।’

ফাইনালে পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্র্যাকটিসের অভাবই মূল কারণ। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত অনুশীলন ও মেয়েদের জিমে ব্যায়ামের পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকাও আমাদের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে।’

নিজের অনুভূতি জানিয়ে বিথী আক্তার কাজল বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার ফাইনাল অবধি আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। রানার্সআপ হলেও আমাদের এই অর্জন ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

টিম ম্যানেজার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মেয়েরা খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছে এবং প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। প্রতিপক্ষ ভালো খেলায় আমরা ফাইনালে হেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েদের মধ্যে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তারা খেলাধুলার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও সঠিক গাইডলাইন পেলে আরও ভালো করবে। ভবিষ্যতে তাদের কাছে আমাদের আরও প্রত্যাশা থাকবে এবং আমরা আশাবাদী তারা ভালো ফলাফল অর্জন করবে।’