ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে, ভারতের সঙ্গে বাস্তবতা মেনে Logo সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশক্তির পাল্টাপাল্টি ব্যানার Logo সরকার সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: তথ্য প্রতিমন্ত্রী Logo কাঁচা মরিচ ও টমেটো আমদানিতে শর্তসাপেক্ষে শুল্ক-কর অব্যাহতি Logo সৌরবিদ্যুৎ থেকে লক্ষ্য ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন: অনিন্দ্য অমিত Logo সিলেটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য নিতে গিয়ে হেনস্থার শিকার সাংবাদিকেরা Logo অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে যুবক আটক, এনসিপি-বিএনপি মুখোমুখি Logo সড়ক দুর্ঘটনায় আহত প্রতিমন্ত্রী বারীকে দেখতে হাসপাতালে রিজভী Logo তেজগাঁও এলাকায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৮৩ Logo দেশকে বাঁচাতে খালেদা জিয়া দুই সন্তান নিয়ে দেশত্যাগ করেননি: চিফ হুইপ

হাবিপ্রবিতে দুই হলের সংঘর্ষে আহত সহকারী প্রক্টর

গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শহীদ আবরার ফাহাদ হল এবং শহীদ নূর হোসেন হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলামসহ ৭ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

এ সংঘর্ষের সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানা যায়, সংঘর্ষের এক পর্যায়ে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীরা শহীদ নূর হোসেন হলের সামনে লাঠিসোঁটা হাতে অবস্থান নেন। এ পর্যায়ে সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি নূর হোসেন হলের কিছু শিক্ষার্থীকে হলের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদেরকে চলে যেতে বলেন। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিজের পরিচয় দেন। তবে আবরার ফাহাদ হলের উত্তেজিত কয়েকজন শিক্ষার্থী সংঘর্ষকে তাদের নিজেদের ব্যাপার বলে তাকে চলে যেতে বলেন। এক পর্যায়ে তিনজন মিলে তার ওপর হামলা করে। এসময় তিনি নাকে এবং চোখে আঘাত পান। এরপর তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

মেডিকেল সূত্রে জানা যায়, হামলার কারণে তার নাকের ভিতরের হাড় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বাকা হয়েছে। যা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ৬৫% পর্যন্ত ঠিক হতে পারে। এছাড়াও চোখে আঘাত পেয়েছেন।

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় আমার পরিচয় দেওয়ার পরও আচমকা আমার ওপর হামলা হয়। নাকে এবং চোখে আঘাত পেয়েছি। নাকের হাড় বাকা হয়ে গেছে। আমি বর্তমানে হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে এসেছি। ইন্টার্নাল কিছু ইনজুরি হয়েছে। ডাক্তার সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন।

জনপ্রিয়

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে, ভারতের সঙ্গে বাস্তবতা মেনে

হাবিপ্রবিতে দুই হলের সংঘর্ষে আহত সহকারী প্রক্টর

প্রকাশিত ১২:০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শহীদ আবরার ফাহাদ হল এবং শহীদ নূর হোসেন হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলামসহ ৭ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

এ সংঘর্ষের সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানা যায়, সংঘর্ষের এক পর্যায়ে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীরা শহীদ নূর হোসেন হলের সামনে লাঠিসোঁটা হাতে অবস্থান নেন। এ পর্যায়ে সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি নূর হোসেন হলের কিছু শিক্ষার্থীকে হলের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদেরকে চলে যেতে বলেন। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিজের পরিচয় দেন। তবে আবরার ফাহাদ হলের উত্তেজিত কয়েকজন শিক্ষার্থী সংঘর্ষকে তাদের নিজেদের ব্যাপার বলে তাকে চলে যেতে বলেন। এক পর্যায়ে তিনজন মিলে তার ওপর হামলা করে। এসময় তিনি নাকে এবং চোখে আঘাত পান। এরপর তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

মেডিকেল সূত্রে জানা যায়, হামলার কারণে তার নাকের ভিতরের হাড় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বাকা হয়েছে। যা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ৬৫% পর্যন্ত ঠিক হতে পারে। এছাড়াও চোখে আঘাত পেয়েছেন।

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় আমার পরিচয় দেওয়ার পরও আচমকা আমার ওপর হামলা হয়। নাকে এবং চোখে আঘাত পেয়েছি। নাকের হাড় বাকা হয়ে গেছে। আমি বর্তমানে হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে এসেছি। ইন্টার্নাল কিছু ইনজুরি হয়েছে। ডাক্তার সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন।