ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক Logo রাবি ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক হিসেবে সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীবের আত্মপ্রকাশ

নোবিপ্রবিতে রেজিস্ট্রারের চেয়ারে আবারো বিতর্কিত জসিমের নাম

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ৩য় বারের মত পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজীদ হোসাইন চৌধুরী। ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দেন। এর আগে দুইবার পদত্যাগ পত্র জমা দিলেও তা গ্রহন না করায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি।

চলতি দায়িত্ব পালনকারী রেজিস্ট্রারেরে পদত্যাগ পত্র জমা দেওয়া পর নতুন রেজিস্ট্রার কে হচ্ছেন তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-জল্পনা। প্রশাসনিক ভবনের সূত্র মতে, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ পত্র গৃহীত হলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ওএসডি হওয়া রেজিস্ট্রার মো. জসীম উদ্দিন পুনরায় এই পদে নিয়োগ পেতে পারেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডেপুটি রেজিস্ট্রার জানান, আওয়ামী আমলে মো: জসিম উদ্দিন রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ পান। তাই এই পদ এখন খালি হলে নিয়ম অনুযায়ী তিনি আবার এই দায়িত্ব পেতে পারেন।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর আওয়ামী দোসর হিসেবে পরিচিত উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের পদত্যাগের জন্য আন্দোলন শুরু করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এরমধ্যে রেজিস্ট্রার জসিম উদ্দিনকে ওএসডি করে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে সংযুক্ত করা হয়। তবে টানা আন্দোলনের মুখে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার পদত্যাগ করলেও পরবর্তীতে রেজিস্ট্রার মো: জসিম উদ্দিন পদত্যাগ করেনি।

তার বিরুদ্ধে দাপ্তরিক নথির ডুপ্লিকেট কপি তৈরি, সিন্ডিকেট সভার কার্যবিবরণী পরিবর্তন, বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, প্রতারণা এবং নারী সহকর্মীদের সঙ্গে অশোভন আচরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তার অব্যাখায়িত আয় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার ৩০৩ টাকা নিয়েও ছিলো নানা সমালোচনা৷ পরিবর্তীতে মো. তামজিদ হোসাইন চৌধুরীকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজীদ হোসাইন চৌধুরী বলেন, “ব্যক্তিগত কারণে আমি প্রশাসনের নিকট পদত্যাগ পত্র দিয়েছি। এর আগেও দুইবার দিয়েছি, স্যার গ্রহণ করে নি৷ তাই পালন করে যাচ্ছি।” এরপরে কে রেজিস্ট্রার হবেন এমন প্রশ্নের জেরে তিনি বলেন, “সেটা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিবেন। তারা যা ভালো মনে করেন তাই হবে।”

জনপ্রিয়

রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো

নোবিপ্রবিতে রেজিস্ট্রারের চেয়ারে আবারো বিতর্কিত জসিমের নাম

প্রকাশিত ০২:১৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ৩য় বারের মত পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজীদ হোসাইন চৌধুরী। ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দেন। এর আগে দুইবার পদত্যাগ পত্র জমা দিলেও তা গ্রহন না করায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি।

চলতি দায়িত্ব পালনকারী রেজিস্ট্রারেরে পদত্যাগ পত্র জমা দেওয়া পর নতুন রেজিস্ট্রার কে হচ্ছেন তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-জল্পনা। প্রশাসনিক ভবনের সূত্র মতে, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ পত্র গৃহীত হলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ওএসডি হওয়া রেজিস্ট্রার মো. জসীম উদ্দিন পুনরায় এই পদে নিয়োগ পেতে পারেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডেপুটি রেজিস্ট্রার জানান, আওয়ামী আমলে মো: জসিম উদ্দিন রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ পান। তাই এই পদ এখন খালি হলে নিয়ম অনুযায়ী তিনি আবার এই দায়িত্ব পেতে পারেন।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর আওয়ামী দোসর হিসেবে পরিচিত উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের পদত্যাগের জন্য আন্দোলন শুরু করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এরমধ্যে রেজিস্ট্রার জসিম উদ্দিনকে ওএসডি করে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে সংযুক্ত করা হয়। তবে টানা আন্দোলনের মুখে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার পদত্যাগ করলেও পরবর্তীতে রেজিস্ট্রার মো: জসিম উদ্দিন পদত্যাগ করেনি।

তার বিরুদ্ধে দাপ্তরিক নথির ডুপ্লিকেট কপি তৈরি, সিন্ডিকেট সভার কার্যবিবরণী পরিবর্তন, বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, প্রতারণা এবং নারী সহকর্মীদের সঙ্গে অশোভন আচরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তার অব্যাখায়িত আয় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার ৩০৩ টাকা নিয়েও ছিলো নানা সমালোচনা৷ পরিবর্তীতে মো. তামজিদ হোসাইন চৌধুরীকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজীদ হোসাইন চৌধুরী বলেন, “ব্যক্তিগত কারণে আমি প্রশাসনের নিকট পদত্যাগ পত্র দিয়েছি। এর আগেও দুইবার দিয়েছি, স্যার গ্রহণ করে নি৷ তাই পালন করে যাচ্ছি।” এরপরে কে রেজিস্ট্রার হবেন এমন প্রশ্নের জেরে তিনি বলেন, “সেটা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিবেন। তারা যা ভালো মনে করেন তাই হবে।”