ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছাত্রলীগের ফুলবাবু ধরা, অতঃপর… Logo অভিনেত্রী মিঠুর ব্যক্তিত্বকে কেন ‘সেক্সি’ বললেন শ্রীলেখা? Logo টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন Logo বিশ্বের প্রথম কেইজ ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০ Logo এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় বাংলাদেশের Logo মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’ Logo বাংলাদেশের দুর্গম চরাঞ্চলে ৮ লাখের বেশি রোগীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল Logo মামলার এজাহারে নজরুলের বিরুদ্ধে যা যা অভিযোগ Logo এমপি নজরুলের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগর Logo ভারতে ‘এআই চশমা’ বিক্রির হিড়িক, কিন্তু দেশের আইন কী বলছে?

ঈদযাত্রার ১৩ দিনে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩০৬ জনের

ঈদযাত্রার ১৩ দিনে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩০৬ জনের

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে আগে ও পরে ১৩ দিনে (২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত) দেশের বিভিন্ন সড়ক, নৌ ও রেলপথে সংঘটিত দুর্ঘটনায় মোট ৩০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনাতেই প্রাণ হারিয়েছেন ২৮১ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর এবং সংস্থাটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে দেশে মোট ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮১ জন এবং আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু রয়েছে।

একই সময়ে ১৩টি নৌপথ দুর্ঘটনায় আটজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন। কোরবানির জন্য পরিবহন করা ২৪টি গরুও দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, ঈদযাত্রার সময় ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী ১২৪ জন, বাসযাত্রী ২১ জন, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ ও ট্রলির আরোহী ৩২ জন এবং প্রাইভেট কার ও অ্যাম্বুলেন্সের ১১ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন।

এছাড়া থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক, সিএনজি, অটোরিকশা ও অটোভ্যান) দুর্ঘটনায় ৪৮ জন এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন যেমন নছিমন, ভটভটি ও মাহিন্দ্রের দুর্ঘটনায় আটজন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।

সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি জাতীয় মহাসড়কে, ১১২টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে, ৩৭টি শহরের সড়কে এবং চারটি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

জনপ্রিয়

অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছাত্রলীগের ফুলবাবু ধরা, অতঃপর…

ঈদযাত্রার ১৩ দিনে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩০৬ জনের

প্রকাশিত ০৮:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে আগে ও পরে ১৩ দিনে (২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত) দেশের বিভিন্ন সড়ক, নৌ ও রেলপথে সংঘটিত দুর্ঘটনায় মোট ৩০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনাতেই প্রাণ হারিয়েছেন ২৮১ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর এবং সংস্থাটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে দেশে মোট ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮১ জন এবং আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু রয়েছে।

একই সময়ে ১৩টি নৌপথ দুর্ঘটনায় আটজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন। কোরবানির জন্য পরিবহন করা ২৪টি গরুও দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, ঈদযাত্রার সময় ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী ১২৪ জন, বাসযাত্রী ২১ জন, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ ও ট্রলির আরোহী ৩২ জন এবং প্রাইভেট কার ও অ্যাম্বুলেন্সের ১১ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন।

এছাড়া থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক, সিএনজি, অটোরিকশা ও অটোভ্যান) দুর্ঘটনায় ৪৮ জন এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন যেমন নছিমন, ভটভটি ও মাহিন্দ্রের দুর্ঘটনায় আটজন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।

সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি জাতীয় মহাসড়কে, ১১২টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে, ৩৭টি শহরের সড়কে এবং চারটি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।