ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার নির্দেশ কিমের Logo রুশ বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ সহজ করতে চান মিয়া সাত্তার Logo ‘এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক’ Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে রাষ্ট্রদূতকে ফেরানো ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’: শামা ওবায়েদ Logo ফোল্ডএবল আইফোন ঘিরে ক্রেতার ভিড়, মিলছে না সহজে Logo ‘অভিযোগ না পেলেও চাঁদাবাজির মামলা করতে পারবে পুলিশ’ Logo রাস্তা-ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসালেই মামলা ও মালামাল ক্রোক: ডিএসসিসি প্রশাসক Logo কমনওয়েলথ কাবাডিতে কানাডাকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ Logo বার্সেলোনার হয়ে রেয়ালের বিপক্ষে খেলতে উন্মুখ জেসুস Logo জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে ‘হতাশ’ শামা ওবায়েদ সমন্বয় চান দর-কষাকষিতে

ঝিকরগাছায় মা ও শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার: স্বামী পুলিশ হেফাজতে

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় মা ও তাঁর দুই বছর বয়সী শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের স্বামী জনি মিয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রাম থেকে গৃহবধূ রেবেকা খাতুন ও তাঁর ছেলে সোহরাব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে মা ও শিশুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ঝিকরগাছা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের স্বামী জনি মিয়াকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিহত গৃহবধূর পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। রেবেকার শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগমের দাবি, জমি বিক্রি নিয়ে রেবেকার সঙ্গে তাঁর বোন সাফিয়া বেগমের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে মানসিক ক্ষোভ থেকে রেবেকা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন নিহতের বোন সাফিয়া বেগম। তিনি পাল্টা দাবি করে বলেন, জনি মিয়া একজন মাদকাসক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে রেবেকার ওপর নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। স্বামীর সেই নির্মম নির্যাতন সহ্য করতে না পেরেই রেবেকা সন্তানসহ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে এবং নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন এবং পুলিশের চলমান তদন্তের ভিত্তিতেই এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয়

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার নির্দেশ কিমের

ঝিকরগাছায় মা ও শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার: স্বামী পুলিশ হেফাজতে

প্রকাশিত ০১:১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় মা ও তাঁর দুই বছর বয়সী শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের স্বামী জনি মিয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রাম থেকে গৃহবধূ রেবেকা খাতুন ও তাঁর ছেলে সোহরাব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে মা ও শিশুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ঝিকরগাছা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের স্বামী জনি মিয়াকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিহত গৃহবধূর পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। রেবেকার শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগমের দাবি, জমি বিক্রি নিয়ে রেবেকার সঙ্গে তাঁর বোন সাফিয়া বেগমের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে মানসিক ক্ষোভ থেকে রেবেকা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন নিহতের বোন সাফিয়া বেগম। তিনি পাল্টা দাবি করে বলেন, জনি মিয়া একজন মাদকাসক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে রেবেকার ওপর নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। স্বামীর সেই নির্মম নির্যাতন সহ্য করতে না পেরেই রেবেকা সন্তানসহ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে এবং নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন এবং পুলিশের চলমান তদন্তের ভিত্তিতেই এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে।