ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জাপান থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo এলপিজি অপারেটরদের ‘মাফিয়া’ বলা নিয়ে বিইআরসির গণশুনানিতে বিতণ্ডা Logo ১২ ছক্কায় ওমারজাইয়ের রেকর্ড ইনিংস, রাজার সেঞ্চুরির রেকর্ড Logo জাপান সফরে প্রাপ্তির হিসাব-নিকাশ: ‘বিগ-বি’র নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ Logo বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও Logo ইংলিসের অনন্য কীর্তির পর শেষ বেলার উইকেটে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া Logo ইউসিবির ওয়েবভিত্তিক সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ Logo সিঙ্গাপুরে ২৪০ শ্রমিকের বেতন বকেয়া, ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, অধিকাংশই বাংলাদেশি Logo ‘২০০’ ছুঁয়ে রাশিদ খানের অনন্য কীর্তি Logo সরকারি বাসা থেকে শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া অপসারণের নির্দেশ

বিএনপি সরকারের সঙ্গে বাকশালের কোনো পার্থক্য নেই: কর্নেল অলি

বর্তমান বিএনপি সরকারের সঙ্গে বাকশালের কার্যপদ্ধতির মধ্যে কোনো মৌলিক তফাত নেই বলে কঠোর মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান এবং ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। সম্প্রতি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর সমালোচনা করেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্তরসহ সব জায়গায় দলীয় লোকজনকে পুনর্বাসিত করা হচ্ছে, যা বাকশালের নীতিকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।

সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে এলডিপিপ্রধান আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের সাধারণ মানুষ বর্তমান প্রশাসনের ওপর চরমভাবে আস্থাহীন এবং তারা এখন এই শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন দেখতে চায়। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, এ দেশের জনগণ চায় বর্তমান সরকার চিরকালের মতো ক্ষমতা ছেড়ে বিদায় নিক। জনগণের জীবনযাত্রাকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে হলে এই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সরকার গঠনের আগে দেওয়া বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কর্নেল অলি জানান, ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতায় যাওয়ার আগে বেকার যুবকদের জন্য এক লাখ নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টির কথা বলেছিল। কিন্তু বাস্তবে প্রতিশ্রুতি রক্ষার পরিবর্তে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে বর্তমানে উল্টো প্রায় এক লাখ মানুষের চাকরি চলে গেছে এবং বেকারত্ব আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এছাড়া তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে সম্প্রতি যে সব সমালোচনা করা হচ্ছে, তারও কড়া জবাব দেন তিনি।

মৌলবাদ প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে এই রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, মৌলবাদী শব্দটির সঠিক অর্থ হলো যারা নিজেদের ধর্মের বা দেশের মূল আদর্শ ও মন্ত্রে বিশ্বাস স্থাপন করে। তারা কোনোভাবেই উগ্রবাদী বা সহিংসতাপ্রবণ নন বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। সমাবেশে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বিপুল জনসমাগম দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং একে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসভা হিসেবে অভিহিত করেন।

জনপ্রিয়

জাপান থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের সঙ্গে বাকশালের কোনো পার্থক্য নেই: কর্নেল অলি

প্রকাশিত ০৭:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্তমান বিএনপি সরকারের সঙ্গে বাকশালের কার্যপদ্ধতির মধ্যে কোনো মৌলিক তফাত নেই বলে কঠোর মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান এবং ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। সম্প্রতি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর সমালোচনা করেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্তরসহ সব জায়গায় দলীয় লোকজনকে পুনর্বাসিত করা হচ্ছে, যা বাকশালের নীতিকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।

সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে এলডিপিপ্রধান আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের সাধারণ মানুষ বর্তমান প্রশাসনের ওপর চরমভাবে আস্থাহীন এবং তারা এখন এই শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন দেখতে চায়। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, এ দেশের জনগণ চায় বর্তমান সরকার চিরকালের মতো ক্ষমতা ছেড়ে বিদায় নিক। জনগণের জীবনযাত্রাকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে হলে এই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সরকার গঠনের আগে দেওয়া বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কর্নেল অলি জানান, ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতায় যাওয়ার আগে বেকার যুবকদের জন্য এক লাখ নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টির কথা বলেছিল। কিন্তু বাস্তবে প্রতিশ্রুতি রক্ষার পরিবর্তে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে বর্তমানে উল্টো প্রায় এক লাখ মানুষের চাকরি চলে গেছে এবং বেকারত্ব আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এছাড়া তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে সম্প্রতি যে সব সমালোচনা করা হচ্ছে, তারও কড়া জবাব দেন তিনি।

মৌলবাদ প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে এই রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, মৌলবাদী শব্দটির সঠিক অর্থ হলো যারা নিজেদের ধর্মের বা দেশের মূল আদর্শ ও মন্ত্রে বিশ্বাস স্থাপন করে। তারা কোনোভাবেই উগ্রবাদী বা সহিংসতাপ্রবণ নন বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। সমাবেশে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বিপুল জনসমাগম দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং একে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসভা হিসেবে অভিহিত করেন।