ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণয়ন হচ্ছে নতুন কারিকুলাম Logo যুক্তরাষ্ট্রের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে পারেন হান্টার বাইডেন Logo বগুড়ায় ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত Logo পরকীয়া প্রেমিকের যোগসাজশে স্বামীকে ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ Logo মাঝ আকাশেই ফুরিয়ে গেল প্লেনের তেল, এরপর যা হলো Logo সান্তাহারে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত Logo নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কবি নজরুল কলেজ শাখার ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে Logo সেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ Logo ঝাঁঝালো গন্ধে শ্রেণিকক্ষে অজ্ঞান ২৫ শিক্ষার্থী, অনেকেরই জ্ঞান ফেরেনি

মাঝ আকাশেই ফুরিয়ে গেল প্লেনের তেল, এরপর যা হলো

ভারতের কোচিন থেকে আবুধাবিগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি উড়োজাহাজে মাঝ আকাশে অপ্রত্যাশিত এক বিপত্তির সৃষ্টি হয়। উড্ডয়নের কিছু সময় পরই ওই বিমানটির ইঞ্জিনের জ্বালানি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি চালকদের নজরে আসে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকায় পাইলট তাৎক্ষণিকভাবে বিমানটিকে পুনরায় কোচিন বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বোয়িং ৭৩৭ মডেলের ওই ফ্লাইটটি আকাশে ওড়ার প্রায় পঞ্চাশ মিনিট পর ৩৬ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থান করছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে ককপিটে থাকা পাইলট ও কো-পাইলট বুঝতে পারেন যে বিমানের একটি ইঞ্জিনের জ্বালানি আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা আর আবুধাবির দিকে যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার কোনো ঝুঁকি নেননি এবং বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করেন।

কোচিনের দিকে ফিরে যাওয়ার পুরো সময়জুড়ে বিমানটির পাইলট ও ক্রু সদস্যরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। তারা বারবার ইঞ্জিনের বিভিন্ন প্যারামিটার পরীক্ষা করছিলেন এবং যেকোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত রেখেছিলেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জ্বালানির মাত্রা বিপজ্জনক সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় ক্রুরা নিয়ম অনুযায়ী বিমানটির প্রথম ইঞ্জিনটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন।

অবশেষে সকল শঙ্কা কাটিয়ে আইএক্স-৪১৫ নম্বরের ফ্লাইটটি কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। এই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনার সময় বিমানের সাধারণ যাত্রীরা সম্পূর্ণ অবুঝ ছিলেন এবং তারা বুঝতেও পারেননি যে তারা কত বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। পরবর্তীতে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, অস্পষ্ট ও অতিরঞ্জিত প্রতিবেদন যেন সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক তৈরি না করে।

জনপ্রিয়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণয়ন হচ্ছে নতুন কারিকুলাম

মাঝ আকাশেই ফুরিয়ে গেল প্লেনের তেল, এরপর যা হলো

প্রকাশিত ১০:১৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের কোচিন থেকে আবুধাবিগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি উড়োজাহাজে মাঝ আকাশে অপ্রত্যাশিত এক বিপত্তির সৃষ্টি হয়। উড্ডয়নের কিছু সময় পরই ওই বিমানটির ইঞ্জিনের জ্বালানি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি চালকদের নজরে আসে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকায় পাইলট তাৎক্ষণিকভাবে বিমানটিকে পুনরায় কোচিন বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বোয়িং ৭৩৭ মডেলের ওই ফ্লাইটটি আকাশে ওড়ার প্রায় পঞ্চাশ মিনিট পর ৩৬ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থান করছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে ককপিটে থাকা পাইলট ও কো-পাইলট বুঝতে পারেন যে বিমানের একটি ইঞ্জিনের জ্বালানি আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা আর আবুধাবির দিকে যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার কোনো ঝুঁকি নেননি এবং বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করেন।

কোচিনের দিকে ফিরে যাওয়ার পুরো সময়জুড়ে বিমানটির পাইলট ও ক্রু সদস্যরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। তারা বারবার ইঞ্জিনের বিভিন্ন প্যারামিটার পরীক্ষা করছিলেন এবং যেকোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত রেখেছিলেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জ্বালানির মাত্রা বিপজ্জনক সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় ক্রুরা নিয়ম অনুযায়ী বিমানটির প্রথম ইঞ্জিনটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন।

অবশেষে সকল শঙ্কা কাটিয়ে আইএক্স-৪১৫ নম্বরের ফ্লাইটটি কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। এই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনার সময় বিমানের সাধারণ যাত্রীরা সম্পূর্ণ অবুঝ ছিলেন এবং তারা বুঝতেও পারেননি যে তারা কত বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। পরবর্তীতে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, অস্পষ্ট ও অতিরঞ্জিত প্রতিবেদন যেন সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক তৈরি না করে।