রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী প্রতিনিধিরা ইউক্রেন সফর করেছেন। নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি ইউক্রেন সফরে গিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ অবসানের উপায় খুঁজে বের করতেই তাদের এই কূটনৈতিক তৎপরতা বলে জানা গেছে।
এর আগে মার্কিন এই দুই দূত মস্কো সফর করেছিলেন এবং সেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। মূলত মস্কো এবং কিয়েভ—উভয় পক্ষের সঙ্গেই সরাসরি আলোচনা চালিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান বৈরিতা দূর করার একটি গ্রহণযোগ্য পথ খোঁজার চেষ্টা করছেন ট্রাম্পের এই বিশেষ প্রতিনিধিরা।
এই কূটনৈতিক অগ্রগতির বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মার্কিন দূতদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শেষে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, ওয়াশিংটনের এই নতুন উদ্যোগ এবং মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। ইউক্রেন সর্বদা একটি স্থায়ী ও ন্যায়সঙ্গত শান্তির পক্ষে রয়েছে এবং মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে তারা প্রস্তুত।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন এই শীর্ষ দূতদের কিয়েভ ও মস্কো সফর বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি এই সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক চাপ ও ভূমিকা আরও জোরালো হতে পারে। তবে চূড়ান্ত কোনো যুদ্ধবিরতি বা শান্তি চুক্তির পথে এখনও অনেকগুলো জটিল কূটনৈতিক ধাপ অতিক্রম করতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



































