ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘কখনোই, কোনোভাবেই ভুলব না’- যেভাবে ৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকী পালন করল আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার আড়াই দশক পূর্ণ হয়েছে এবং অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে দিনটি স্মরণ করা হয়েছে। দেশটিতে সংঘটিত এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার পঁচিশ বছর পর বর্তমান ও সাবেক শীর্ষ নেতৃত্বসহ সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, পেন্টাগন এবং পেনসিলভানিয়ার একটি শূন্য মাঠে ছিনতাইকৃত বিমানগুলোর আঘাত হানার সেই স্মৃতি আজও আমেরিকানদের মনে গভীর ক্ষত হিসেবে বিরাজ করছে।

স্মরণানুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল নির্দিষ্ট মুহূর্তগুলোতে বিশেষ নীরবতা পালন করা এবং সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারানো প্রায় তিন হাজার মানুষের নাম সশব্দে উচ্চারণ করা। নিহতদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা একে একে প্রিয়জনদের নাম পাঠ করার সময় পুরো পরিবেশ এক শোকাবহ রূপ নেয়। স্মরণসভায় অংশগ্রহণকারীরা দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করেন যে, এই ট্র্যাজেডি এবং এর ভয়াবহতা দেশবাসী কখনোই কোনোভাবেই ভুলবে না।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া দেশের বর্তমান এবং অতীতের রাষ্ট্রপ্রধান ও নীতিনির্ধারকরা এই ধরনের বর্বরোচিত সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর বিশেষ জোর দেন। তারা বলেন যে, আত্মরক্ষার তাগিদে এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন জাতি সব সময় এক ও অভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। বিগত আড়াই দশকে বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিবর্তন এবং এই ঘটনার দীর্ঘমেয়াদী ভূরাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বার্ষিকী পালনের মূল তাৎপর্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সচেতন রাখা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা পৌঁছে দেওয়া। দিনব্যাপী আয়োজিত নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মার্কিন সমাজ আরেকবার তাদের হারানো স্বজনদের স্মরণ করে চোখের জলে বুক ভাসিয়েছে এবং একটি নিরাপদ বিশ্বের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।

জনপ্রিয়

মোবাইলে ব্যস্ত চিকিৎসক, মারা গেলেন রোগী

‘কখনোই, কোনোভাবেই ভুলব না’- যেভাবে ৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকী পালন করল আমেরিকা

প্রকাশিত ১০:৩১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার আড়াই দশক পূর্ণ হয়েছে এবং অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে দিনটি স্মরণ করা হয়েছে। দেশটিতে সংঘটিত এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার পঁচিশ বছর পর বর্তমান ও সাবেক শীর্ষ নেতৃত্বসহ সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, পেন্টাগন এবং পেনসিলভানিয়ার একটি শূন্য মাঠে ছিনতাইকৃত বিমানগুলোর আঘাত হানার সেই স্মৃতি আজও আমেরিকানদের মনে গভীর ক্ষত হিসেবে বিরাজ করছে।

স্মরণানুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল নির্দিষ্ট মুহূর্তগুলোতে বিশেষ নীরবতা পালন করা এবং সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারানো প্রায় তিন হাজার মানুষের নাম সশব্দে উচ্চারণ করা। নিহতদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা একে একে প্রিয়জনদের নাম পাঠ করার সময় পুরো পরিবেশ এক শোকাবহ রূপ নেয়। স্মরণসভায় অংশগ্রহণকারীরা দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করেন যে, এই ট্র্যাজেডি এবং এর ভয়াবহতা দেশবাসী কখনোই কোনোভাবেই ভুলবে না।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া দেশের বর্তমান এবং অতীতের রাষ্ট্রপ্রধান ও নীতিনির্ধারকরা এই ধরনের বর্বরোচিত সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর বিশেষ জোর দেন। তারা বলেন যে, আত্মরক্ষার তাগিদে এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন জাতি সব সময় এক ও অভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। বিগত আড়াই দশকে বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিবর্তন এবং এই ঘটনার দীর্ঘমেয়াদী ভূরাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বার্ষিকী পালনের মূল তাৎপর্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সচেতন রাখা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা পৌঁছে দেওয়া। দিনব্যাপী আয়োজিত নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মার্কিন সমাজ আরেকবার তাদের হারানো স্বজনদের স্মরণ করে চোখের জলে বুক ভাসিয়েছে এবং একটি নিরাপদ বিশ্বের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।