ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভা বিকেএসপিতে, পাশে থাকার আশ্বাস ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর Logo চাঁদপুরে বর্জ্যের বিনিময়ে মিলছে খাদ্য ও বৃক্ষ Logo যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে দীর্ঘসূত্রিতায় বিপাকে মিত্ররা Logo অপহরণের পর ধর্ষণে মৃত্যুর অভিযোগ Logo সুন্দর দেখানোর চেয়ে ভালো থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ: ক্যাটরিনা কাইফ Logo শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৮৯ লাখ টাকা Logo একাদশে ভর্তির চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, রবিবার থেকে ভর্তি শুরু Logo অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য, কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ Logo রাতে রান্না করে খাওয়ানোর পর ৩ সন্তানকে হত্যা করেন বাবা Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৭৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি

দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আবারও বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে যে, বিগত চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে আরও সাতান্নশতাধিক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষা মৌসুমের এই সময়ে মশাবাহিত রোগটির প্রকোপ রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ জনগণকে আরও বেশি সতর্ক থাকার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

ভাগ্যক্রমে, সর্বশেষ চব্বিশ ঘণ্টার এই ডেঙ্গু সংক্রমণের পরিসংখ্যানে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি, যা কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে সাহায্য করেছে। তবে চলতি বছরজুড়েই ডেঙ্গুর ভয়াবহ রূপ দেশবাসীকে আতঙ্কিত করেছে এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিভিন্ন অঞ্চলের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের যথাযথ সেবা নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি বজায় রাখা হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ার মূল কারণ হলো অসচেতনতা এবং চারপাশের জমে থাকা পরিষ্কার পানি, যা এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে। রাজধানীর পাশাপাশি দেশের অন্যান্য জেলা ও উপশহরগুলোতেও ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ অবস্থায় চিকিৎসালয়গুলোতে ভিড় এড়াতে এবং রোগের জটিলতা কমাতে সাধারণ মানুষকে দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বারবার জোর দিয়ে বলছেন যে, শুধু হাসপাতাল বা চিকিৎসাব্যবস্থা নয়, বরং মশার উৎসস্থল ধ্বংস করাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের একমাত্র স্থায়ী সমাধান। সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় সরকারগুলোর নিয়মিত মশানিধন অভিযಾানের পাশাপাশি প্রতিটি বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করেছে যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর এই বর্তমান পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয়

নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভা বিকেএসপিতে, পাশে থাকার আশ্বাস ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৭৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত ০৯:০১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আবারও বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে যে, বিগত চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে আরও সাতান্নশতাধিক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষা মৌসুমের এই সময়ে মশাবাহিত রোগটির প্রকোপ রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ জনগণকে আরও বেশি সতর্ক থাকার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

ভাগ্যক্রমে, সর্বশেষ চব্বিশ ঘণ্টার এই ডেঙ্গু সংক্রমণের পরিসংখ্যানে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি, যা কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে সাহায্য করেছে। তবে চলতি বছরজুড়েই ডেঙ্গুর ভয়াবহ রূপ দেশবাসীকে আতঙ্কিত করেছে এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিভিন্ন অঞ্চলের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের যথাযথ সেবা নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি বজায় রাখা হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ার মূল কারণ হলো অসচেতনতা এবং চারপাশের জমে থাকা পরিষ্কার পানি, যা এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে। রাজধানীর পাশাপাশি দেশের অন্যান্য জেলা ও উপশহরগুলোতেও ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ অবস্থায় চিকিৎসালয়গুলোতে ভিড় এড়াতে এবং রোগের জটিলতা কমাতে সাধারণ মানুষকে দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বারবার জোর দিয়ে বলছেন যে, শুধু হাসপাতাল বা চিকিৎসাব্যবস্থা নয়, বরং মশার উৎসস্থল ধ্বংস করাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের একমাত্র স্থায়ী সমাধান। সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় সরকারগুলোর নিয়মিত মশানিধন অভিযಾানের পাশাপাশি প্রতিটি বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করেছে যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর এই বর্তমান পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।